সীতাকুণ্ড ট্র্যাজেডির ঘটনাটি ফেসবুকে লাইভ করার সময় দগ্ধ হয়ে নিহত অলিউর রহমান নয়নের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (৬ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় দিকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নয়নের মরদেহ মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার কর্মধা ইউনিয়নের ফটিগুলী গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে অসংখ্য মানুষ ভিড় করে।
তার এই মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না নয়নের মা-বাবা প্রতিবেশীসহ এলাকাবাসী। পরে বাদ জোহর নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নয়নের চাচা মাওলানা রমজান আলী জানান, সর্বশেষ গত ঈদুল ফিতরে বাড়ি এসেছিল নয়ন। কয়েকদিন থেকে আবার চলে যায় সীতাকুণ্ডে। রোববার (৫ জুন) রাতে তার মরদেহ গ্রহণ করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের দাফন-কাফনের খরচের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। আরও দুই লাখ টাকা তাদেরকে দেওয়া হবে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেন নয়নের পরিবার।
শনিবার (৪ জুন) রাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে সীতাকুণ্ড কন্টেইনার ডিপোতে কর্মরত শ্রমিক নয়ন ফেসবুকে লাইভ করার সময় নিহত হন।