হবিগঞ্জের বাহুবলে মা-মেয়েকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ মার্চ) রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে বাহুবল থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত অঞ্জলী দাশের স্বামী সঞ্জিত দাশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আমীর আলী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের মোটিভ এখন তাদের হাতে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানানো হবে। বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) ভোরে বাহুবলে মা-মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। উপজেলার দ্বিগাম্বর বাজারে একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের লামাপুটিজুরী গ্রামের সঞ্জিত দাশের স্ত্রী অঞ্জলী দাশ (৩৫) ও তার মেয়ে পূজা দাশ (৮)।
স্থানীয় সূত্র জানায়, লামাপুটিজুরী গ্রামের সঞ্জিত দাশ কাঁচামালের ব্যবসা করেন। ব্যবসার প্রয়োজনে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে দ্বিগাম্বর বাজারের একটি বাসার ৩ তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। ঘটনার দিন রাতে তিনি ব্যবসায়িক কাজে সুনামগঞ্জে অবস্থান করছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি বাসায় এসে স্ত্রী ও মেয়ের রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।
হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে বাহুবল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী ও বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ও পিবিআই ঘটনাস্থলে পৌছে তদন্ত করে। বিকেলে মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে বাহুবল থানা পুলিশ।
বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত এক আসামিকে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানের জন্য শনিবার (২০ মার্চ) বিকেলে আদালতে তোলা হলে। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করে সকল তথ্য জানানো হবে।