পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের আওতায় ঈশ্বরদী-খুলনা রেলওয়ে রুটের কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের হালসা রেলওয়ে স্টেশনে তেলবাহী ট্রেনের ইঞ্জিন ও দুটি ওয়াগন লাইনচ্যুত হয়েছে।
তবে লুপ লাইনে এ দুর্ঘটনা ঘটায় দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকাসহ সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।
এ ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ জুলাই) সকাল পৌনে ৭টার দিকে হালসা রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টা থেকে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা (এটিও) সাজেদুল ইসলাম বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে এ ঘটনায় করা তদন্ত কমিটিতে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) আনোয়ার হোসেনকে আহ্বায়ক করে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে প্রকৌশলী-১ বীরবল মণ্ডল, পাকশী বিভাগীয় সংকেত-টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী, এম এম রাজীব বিল্লাহ, পাকশী বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) আশীষ কুমার মণ্ডলকে সদস্য করা হয়েছে। এ কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, শনিবার (২৩ জুলাই) খুলনা থেকে তেলবাহী ওয়াগন নিয়ে মালবাহী ট্রেনটি ঈশ্বরদী আসছিল। পোড়াদহ পার হয়ে ‘হালসা’ স্টেশনের লুপ লাইন অতিক্রম করার সময় যান্ত্রিক ক্রটির কারণে ইঞ্জিন ও দুটি তেলবাহী ওয়াগন লাইলচ্যুত হয়। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী লোকোসেড থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় পরিবহণ কর্মকর্তা (ডিটিও) আনোয়াট হোসেন বাংলানিউজকে জানান, এ রুটে ডাবল লাইন থাকার কারণে লুপ লাইনে দুর্ঘটনা ঘটেছে। এজন্য
প্রধান রেললাইনটি সচল রয়েছে। এ ঘটনায় পাকশী বিভাগীয় পর্যায়ে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।