নায়ক ফারুক ও আলমগীর। যে দুজনের বয়সের ব্যবধান দুই বছর। একই ব্যবধান তাদের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে। একজনের অভিষেক ১৯৭১ এ আর অন্যজনের ৭৩ এ। সিনেমায় দুজনেই এসেছেন মিষ্টি মেয়ে কবরীর বিপরীতে। যাদের দিন এখন কাটছে হাসপাতালের বিছানায়।
বাংলা চলচ্চিত্রের দুই নক্ষত্র তারা। সাদাকালো কিংবা রঙিন সেলুলয়েড দুজনের হাত ধরেই দেশের সিনেমা হয়েছে সমৃদ্ধ।
১৯৪৮ সালে জন্ম নেয়া ফারুকের সিনেমায় অভিষেক স্বাধীনতার বছর ১৯৭১ জলছবি দিয়ে। অন্যদিকে ১৯৫০ এ পৃথিবীতে আসা আলমগীর আমার জন্মভুমি দিয়ে সিনেমায় পা রাখেন ১৯৭৩ এ। কবরীর হাত ধরে আসা দুই নক্ষত্রের দিন এখন কাটছে হাসপাতালের বিছানায়।
সিঙ্গাপুরের মাইন্ড এলিজাবেথ হাসপাতালে ১৪ দিন আইসিইউতে অচেতন থাকলেও ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন ফারুক। মৃত্যুর গুঞ্জন ওঠা এই অভিনেতাকে দিন দুই আগেই নেয়া হয়েছে ক্যাবিনে।
গেলো বছরের মাঝামাঝিতে জ্বর আর ঠান্ডা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ফারুক। এরপর থেকেই তার শরীরে ধরা পরতে থাকে নানা রোগ, দুই দফা আক্রান্ত হন করোনা ভাইরাসে। সবশেষ তার রক্তে মিলেছে সংক্রমণ।
অন্যদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আলমগীর। সহকর্মীদের জানিয়েছেন, করোনা হলেও শ্বাসকষ্টে নেই তার কোন সমস্যা। যদিও ফারুকের মতো আলমগীরের মৃত্যুর গুজবও ছড়িয়ে ছিলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
সহকর্মী-অগ্রজ-অনুজদের প্রার্থনা সুস্থ হয়ে আবারও রঙিন ভুবনে ফিরবেন এই দুই কিংবদন্তি, রাঙাবেন রঙিন পর্দা।