ads
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

২৫ অস্ত্রসহ চেয়ারম্যানের বডিগার্ড গ্রেফতার

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩
  • ৩৪ বার পঠিত

পটুয়াখালীর বাউফলে ২৫টি দেশীয় অস্ত্রসহ আনিচুর রহমান তালুকদার (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকুর বডিগার্ড হিসেবে পরিচিত।

শুক্রবার (২৮ জুলাই) রাতে উপজেলার কেশবপুর কলেজের একটি কক্ষ থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এসময় আনিচকে আটক করলেও দলের বাকি সদস্যরা পালিয়ে যান।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম আরিচুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, রাতে বাউফল থানার টহল টিম ওয়ারেন্টের আসামি ধরতে কেশবপুর এলাকায় যায়। এসময় কয়েকজনের উপস্থিতি টের পেলে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। তাদের মধ্যে ধরা পড়েন আনিচুর রহমান। পরে কেশবপুর ডিগ্রি কলেজের একটি কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে ১টি বন্দুক, ১টি পিস্তল, ৬ রাউন্ড কার্তুজ, ২টি চাকু, ২টি চাইনিজ কুড়াল, ৩টি চাবুক ও একাধিক রামদাসহ ২৫টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বাউফল থানায় মামলা করা হয়েছে।

ওসি আরিচুল হক বলেন, বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। গ্রেফতার আসামিকে আদালতে উপস্থাপন করে জিজ্ঞাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

গ্রেফতার আনিচুর রহমান তালুকদার উপজেলার কেশবপুর এলাকার মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে। তিনি কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকুর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। এছাড়া তার বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে ৪ নম্বর কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়রম্যান সালেহ উদ্দিন পিকু জাগো নিউজকে বলেন, ‘ওই ছেলেটা ভদ্র ও নির্দোষ। ও আসলে ওখানে দেখতে গেছিল। আমি ওই কলেজের এখন আর অধ্যক্ষ নেই। দুই মাস আগে আমি অবসরে গেছি। হয়তো কেউ আমাকে ফাঁসানোর জন্য ওখানে অস্ত্র রেখেছে। অথবা আমাকে খুন করার জন্য কেউ মজুত করেছিল।’

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102