চতুর্থ দফায় নোয়াখালীর ভাসানচরে গেলেন দুই হাজার ১০ জন রোহিঙ্গা। আগামীকাল আরো ১ হাজার ৮শ’ রোহিঙ্গার ভাসানচরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
আজ সোমবার সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা বোটক্লাব থেকে তাদের নিয়ে ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা হয় ৫টি জাহাজ।
গত বছরের ৪ঠা ডিসেম্বর প্রথম দফায় ১ হাজার ৬৪২ রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় ২৮শে ডিসেম্বর নিয়ে যাওয়া হয় আরো ১ হাজার ৮শ ৫ জনকে। গত ৩০শে জানুয়ারি তৃতীয় দফায় ভাসানচরে যান ৩ হাজার ২শ রোহিঙ্গা।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে চতুর্থ দফায় ৫টি জাহাজে করে ২ হাজার ১০ জন রোহিঙ্গা ভাসানচর গেলেন। উন্নত জীবনযাপনের জন্য তারা টেকনাফের আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে ভাসানচর যাচ্ছেন বলে জানান রোহিঙ্গারা।
আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নানাভাবে নির্যাতন করা হতো জানিয়ে তা থেকে বাঁচতে নিজেরাই ভাসানচরে যাওয়ার কথা জানান কেউ কেউ। আবার অনেকে ভাসানচরে যাওয়া স্বজনদের কাছ থেকে ফোন পেয়ে সেখানে যেতে আগ্রহী হয়েছেন বলেও জানালেন।
ভাসানচরে স্থানান্তরের জন্য শনিবার রাতেই উখিয়া ডিগ্রি কলেজ এবং কুতুপালং ক্যাম্প সংলগ্ন ঘুমধুম ট্রানজিট ক্যাম্পে নেয়া হয় এসব রোহিঙ্গাকে।
২০১৭ সালের ২৫শে আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা শুরুর পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে আশ্রয় নেন বাংলাদেশে।