গোল দেয়ার চিন্তা মাথায় না নিয়ে একটি গোলও যেন নিজেদের জালে না জড়ায়- শুক্রবার রাতে সেই পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিল জামাল ভূঁইয়া।
শুধুমাত্র ডিফেন্সিভ মুডে খেলে কোনো মতে ৯০ মিনিট পার করতে পারলেই বাঁচি। খেলার শুরু থেকে সে কথাই জানান দিচ্ছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
এভাবে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতারকে রুখে দেয়ার স্বপ্ন দেখালেও জামাল ভূঁইয়ারা মাঠে তা করতে পারলেন না। ৫ গোল হজম করে দেশে ফিরতে হচ্ছে জেমি ডের শিষ্যদের।
দোহার আব্দুল্লাহ বিন খলিফা স্টেডিয়ামে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শুরু হওয়া ম্যাচের ২-০ গোলে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় কাতার।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৩ গোল হজম করে ৫-০ তে হারে বাংলাদেশ। ‘ই’ গ্রুপের প্রিলিমিনারি রাউন্ডে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। এর আগে ওমানের মাঠে ১-৪ গোলে হারটি ছিল সবচেয়ে বড়।
এদিকে ৫ গোল দিয়েও সন্তুষ্ট নন কাতারের কোচ ফেলিক্স সানচেজ বাস। তার মতে, বাংলাদেশের জালে আরও বেশ কয়েকবার বল জড়ানো উচিত ছিল তার শিষ্যদের।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কাতারি কোচ সানচেজ।
তিনি বলেন , ‘আমরা পাঁচ গোল দিয়েছি, কিন্তু আমার মনে হয় আরও বেশি গোল হতে পারত।’ তবে বাংলাদেশ দেশের মাটিতে ২-০ গোল জয় নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন কেন?
এ বিষয়ে বার্সেলোনা যুবদলের এই সাবেক কোচ বলেন, ‘দুই ম্যাচের মধ্যে পার্থক্য অনেক। প্রথম লেগের মতো বাংলাদেশ একইভাবে আমাদের বিপক্ষে খেলেছে। কিন্তু আজ আমরা তাদেরকে কোনো সুযোগই দেইনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যখন ওদের মাঠে খেলতে গিয়েছিলাম, মাঠ খেলার উপযোগী ছিল না। আবহাওয়াও প্রতিকূল ছিল। তাই সেখানে আমাদের খেলা কঠিন হয়ে গিয়েছিল। এখানে তা হয়নি। মাঠ খুব ভালো ছিল এবং এটা আমাদের জন্য বিষয়গুলোকে সহজ করে দিয়েছে।’