চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে লাগা আগুন এখনও জ্বলছে। ছয় ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন শতাধিক। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। দগ্ধদের মধ্যে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও রয়েছেন।
শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিপোতে আমদানি-রফতানির বিভিন্ন মালামালবাহী কনটেইনার ছিল। ডিপোর কনটেইনারে রাসায়নিক ছিল, বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। দ্রুত চারদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় হতাহত হয়েছে বেশি। আহতদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক নিউটন দাশ বলেন, বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সব ইউনিটে সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তবে কিছুটা কমেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা।
এর আগে রাত সাড়ে ৩টার দিকে পাঁচ জন নিহত হওয়ার তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক রাজিব পালিত।
তিনি বলেন, এ পর্যন্ত পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। দগ্ধ অবস্থায় শতাধিক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শামীম আহসান বলেন, দগ্ধ অবস্থায় এ পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও রয়েছেন। এখন পর্যন্ত পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বলেন, দগ্ধদের চিকিৎসা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করেছি। আশপাশের হাসপাতালে দগ্ধদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।