আজ-  ,
basic-bank
সংবাদ শিরোনাম :

গ্রীন টি পান করার বিস্ময়কর উপকারিতা

ছেলেদের চুল পড়া একটি পরিচিত সমস্যা। হয়তো আপনার জানতে ইচ্ছে করছে, গ্রিন টির সঙ্গে চুলের কী সম্পর্ক? তাহলে আপনাকে বলে রাখা উচিত, নতুন এক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, চুল পড়া আটকাতে এবং নতুন চুলকে গজিয়ে তুলতে গ্রিন টি’র কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, চুল পড়া রোধ করার পাশাপাশি গ্রীন টি’র রয়েছে আরো বিস্ময়কর কিছু উপকারিতা। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই বিষয়গুলো।

১. হজম শক্তির উন্নতি: প্রতিদিন যদি দু পেয়ালা করে গ্রিন টি খেতে পারেন, তাহলে যতই খাবার প্লেটে ঝড় তুলুন না কেন, পেটের স্বাস্থ্য কিন্তু একেবারেই বিগড়াবে না। কারণ এই পানীয়টিতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমটরি উপাদান শরীর প্রবেশ করা মাত্র পেটের ভেতরে প্রদাহ কমিয়ে ফেলে। ফলে পেটের স্বাস্থ্যের উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতা চাঙ্গা হয়ে উঠতেও সময় লাগে না।

২. দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি: গ্রিন টি খাওয়া শুরু করলে বাস্তবিকই মুখ গহ্বরের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। কারণ এই পানীয়টিতে উপস্থিত ক্যাটসিয়াসিন নামক উপাদান দাঁতের কোণায় কোণায় উপস্থিত ব্যাকটেরিয়ার মেরে ফেলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দাঁতে ক্ষয় ধরার আশঙ্কা কমে যায়।

৩. শরীরের ক্ষমতা বাড়ে: প্রতিদিন সকালে গ্রিন টি খেলে দেখবেন স্ট্যামিনা কেমন দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। তাই তো পুরো দিন ব্যাপি চনমনে থাকতে, শুধু সকালে নয়, সারাদিনে বেশ কয়েকবার পান করুন এই হেলদি ড্রিঙ্ক।

৪. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না: যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ভুগছেন, তারা সুস্থ থাকতে নিয়মিত গ্রিন টি পান করতে পারেন! একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত ১-২ পেয়ালা করে এই পানীয় পান করলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যে তার প্রভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

৫. ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে থাকে: গ্রিন টি পান করা মাত্র মেটাবলিক সিস্টেম ফাংশনের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে এই পানীয়টিতে উফস্থিত পলিফেনল, ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।