আজ-  ,
basic-bank
সংবাদ শিরোনাম :

আগুনে ঝরে গেল পুরো পরিবার

জয়পুরহাট শহরের আরামনগর এলাকায় বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনায় দগ্ধ আরও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার সময়ই ৩ জন নিহত হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দগ্ধদের অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেয়ার পথে যমুনা সেতু পার হওয়ার আগেই বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) ভোরে ৪ জনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৮ জন।

ভয়াবহ এ আগুন লেগে একই পরিবারের ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ঢাকার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্সের চালক মজনু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- দুলাল হোসেন ওরফে চান্দু (৬৫) আরাম নগর এলাকার দুলাল হোসেনের স্ত্রী মোমেনা বেগম (৬০), তার ছেলে মুরগি ব্যবসায়ী মোমিন আহম্মেদ (৩৫) মোমিনের স্ত্রী পরিনা বেগম (৩২), নিহত মোমিনের মেয়ে, হাসি (১৫), খুশি (১৫), বৃষ্টি (১৪) ও দেড় বছরের ছেলে নূর।

অ্যাম্বুলেন্সের চালক মজনু বলেন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় দগ্ধদের ২টি অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেয়ার পথে যমুনা সেতু পার হওয়ার আগেই আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ৪ জনের মৃত্যু হয়। পরে আরও একজনের মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেনের ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণ করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাতে বাসায় রাইস কুকারে রান্না করার সময় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং পুরো বাড়ি পুড়ে যায় একই পরিবারের ৩ জন নিহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে সেখানে থেকে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিয়ে যাওয়া পথে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়।

আহসান নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আগুন দেখে আমরা গিয়ে জানালা ভেঙে পরিবারের ৮ সদস্যের মধ্যে শিশুসহ ৫ জনকে ঘরের বাহিরে বের করে আনতে পারলেও আগুনের তাপের কারণে বাকিদেরকে আর বের করতে পারিনি।

জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইফুল ইসলাম দগ্ধ পাঁচজনের বিষয়ে বলেছিলেন, তাদের শরীরের ৭০-৭৫ শতাংশই দগ্ধ হয়েছে।

এ দুর্ঘটনার পর জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল হক জানান, ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। দগ্ধ পরিবারের অন্য ৫ সদস্যকে প্রথমে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা সিদ্ধান্ত হয়।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।