আজ-  ,
basic-bank
সংবাদ শিরোনাম :

৭ পুলিশসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানার ৭ পুলিশসহ ৫০ জনের নামে বুধবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদাবাজি ও নারীর শ্লীলতাহানীর মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার শেলাচাপরী গ্রামের মৃত মোজাহার আলীর ছেলে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে শাহজাদপুর আমলী আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

শাহাজাদপুর আমলী আদালতের বিচারক শাহজাদপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) হাসিব সরকারকে এ মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ দিয়েছেন।

এ মামলার ৭ পুলিশ আসামি হলেন, শাহজাদপুর থানার এসআই গোলজার হোসেন, এসআই সাচ্চু বিশ্বাস, এসআই সামিউল ইসলাম, এসআই মতিউর রহমান, এসআই আমজাদ হোসেন, কন্সটেবল ময়নুল হক ও কন্সটেবল মো. সুমন সরদার।

এ মামলার বাদী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান জানান, মামলাটির ১ নম্বর আসামি রূপবাটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হোসেন সহ অন্যান্য আসামিগণের সাথে আমার পরিবারের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে। কিন্তু নতুন কোন মামলা বা গ্রেফতারী পরোয়ানা না থাকা সত্ত্বেও গত ২ নভেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৭ জন পুলিশ সহ অন্যান্য আসামিগণ আমার ভাই মিজানুর রহমানের শেলাচাপরী গ্রামের বাড়ির ঘরে ঢুকে তার কাছে এসআই গোলজার হোসেন ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে।

এ ছাড়া ১ নম্বর হতে ৩৩ নম্বর আসামিগণের নামে আমাদের পক্ষ থেকে দায়ের করা সকল মামলা তুলে নিতে বলে। এ ছাড়াও শাহজাদপুরের শেলাচাপরী মৌজার আর, এস ৪৮৫ দাগের .৮৫ শতক সম্পত্তির দাবি ছেড়ে দিতে বলে। কিন্তু ১ নম্বর স্বাক্ষী আমার ভাই মিজানুর রহমান তা অস্বীকার করলে এসআই গোলজার হোসেন তাকে বেধরক মারপিট করে। এ সময় মিজানুর রহমানকে উদ্ধার করতে তার স্ত্রী আরজিনা খাতুন (৩০) এগিয়ে আসলে এসআই সামিউল ইসলাম তাকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানী করে।

তিনি বলেন, এ বিষয় গুলি উল্লেখ করে আমি এ মামলা দায়ের করেছি। আমলী আদালতের বেঞ্চ সহকারী শহিদুল ইসলাম মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অপরদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে হান্ডকাপসহ আসামি মিজানুর রহমানকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগে ৮২ জনকে আসামি করে শাহজাদপুর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাজা গোলাম কিবরিয়া বলেন, হ্যান্ডকাপসহ আসামির পলায়ন মামলা থেকে নিজেদের রক্ষা পাওয়ার কৌশল হিসাবে তারা একটি কোর্ট পিটিশন করেছে। তদন্তে এর আসল সত্য উন্মোচন হবে।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসিব সরকার বলেন, এখনও পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র হাতে পাইনি। পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।