আজ-  ,
basic-bank
সংবাদ শিরোনাম :

লাল সবুজের পতাকা নিয়ে একশ আঠারো’তম দেশে নাজমুন

নাঈম ইসলাম, সহ-সম্পাদক: প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে১১৮ তম দেশ ভ্রমণের বিরল কৃতিত্ব অর্জন করছেন নাজমুন নাহার। ১৪ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকেলে ১১৮ তম দেশ হিসেবে লাইবেরিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বাংলাদেশের  নাজমুন । বিশ্বের প্রতিটি দেশে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পরিচয় করিয়ে দিতে তার যাত্রা। তার‌ই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার তিনি লাইবেরিয়ায় আসেন।

৩৮ বছর বয়সী নাজমুন নাহারের বিশ্বভ্রমণের শুরুটা ২০০০ সালে, ভারত ভ্রমণের মাধ্যমে। তখন তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষে পড়তেন। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাঠ শেষে রাজশাহী থেকে ঢাকায় চলে আসেন নাজমুন। কিছুদিন সাংবাদিকতা করেন এক বিনোদন সাময়িকীতে।

২০০৬ সালে শিক্ষাবৃত্তি পেয়ে চলে যান সুইডেন। লক্ষ্মীপুরের মেয়ে নাজমুন সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এশিয়ান স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন। পড়াশোনার ফাঁকে খণ্ডকালীন কাজও করতেন তখন। কয়েক মাসের জমানো টাকায় জাহাজে ভ্রমণ করেন ফিনল্যান্ড।

তারপরই শুরু হয় তাঁর ভ্রমণ অধ্যায়ের অন্য পর্ব। সুইডওয়াচসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থায় খণ্ডকালীন চাকরি করেছেন। রোজকার খরচ বাদে যা জমান, তা নিয়েই পা বাড়িয়েছেন নতুন কোনও দেশে। বাংলাদেশের এই নারী ২০১৬ ও ২০১৭ সালে ঘুরেছেন ৩৫টি দেশ। এ তালিকায় আছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, পেরু, চিলি, প্যারাগুয়েসহ দক্ষিণ আমেরিকার ১০টি দেশ। এই দুই সাল মিলিয়ে এটাকে তাঁর ‘ভ্রমণবর্ষ’ বলা যায়!

টাকা জমিয়ে মানুষ সম্পদ গড়ে। আর তিনি বাংলাদেশের পতাকাকে সঙ্গী করে বিশ্বের প্রতিটি দেশে আঁকতে চান তার পদচিহ্ন।

নাজমুনের বিশ্বাস, ‘মনের উদ্দামতা আর শরীরের শক্তি দিয়ে বাংলাদেশের নারীরাও গোটা পৃথিবীকে মাড়িয়ে যেতে পারে তার প্রমাণ আমি নিজেই। সমুদ্র থেকে সমুদ্রে, পাহাড় থেকে পাহাড়ে, এক দেশ থেকে আরেক দেশে, পৃথিবীর ইতিহাসকে বাস্তব চোখে দেখা- আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ।’

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।