ads
বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

গভীর রাতে দেখা যাবে সুপারমুন

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ মার্চ, ২০১৯
  • ০ বার পঠিত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (নাসা) বিজ্ঞানীরা বলছেন, আজ পূর্ণিমা রাতে আকাশে যে চাঁদ উঠবে সেই ‘সুপারমুন’কে দেখাবে স্বাভাবিকের চেয়ে ১৪ শতাংশ বড়। চাঁদটি পৃথিবীর আরও ২৫ হাজার কিলোমিটার কাছে চলে আসবে। এ ছাড়া আগামীকাল (২১ মার্চ) দিন-রাত থাকবে সমান।

নাসার বিজ্ঞানীদের বরাত দিয়ে সিএনএন, ওয়াশিংটন পোস্ট, ফক্স নিউজসহ আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, চলতি বছর এটাই সর্বশেষ সুপার মুন। এ সুপারমুনের অপার্থিব সৌন্দর্য বাংলাদেশে দেখা যাবে আজ ২০ মার্চ দিবাগত রাত ৩টা ৫৮ মিনিটে। আমেরিকায় দেখা যাবে ২০ মার্চ ৫টা ৫৮ মিনিটে।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘অনুভূ’সময়ের কাছাকাছি সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ প্রায় একটি সরল রেখায় অবস্থান করবে। সে জন্য তখনই পূর্ণচন্দ্র হবে। এটি দৃশ্যমান চাঁদের চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে। গবেষকরা চাঁদের এ অবস্থাকে বলেন অনুভূ পূর্ণচন্দ্র বা পেরিজি ফুলমুন। নাসার মতে পৃথিবীর সঙ্গে চাঁদের দূরত্ব অনুসারে ‘সুপারমুন’ কতটকু বড় দেখাবে সেটা নির্ভর করে। স্বাভাবিক সময়ে আমরা যে চাঁদ দেখি, সুপারমুনের সময় তার চেয়ে এ চাঁদ দেখতে হবে প্রায় ১৪ ভাগ বড়। উজ্জ্বল্য হবে ৩০ ভাগ বেশি। এ সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে ২ লাখ ২১ হাজার ৭৩৪ মাইল (৩ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটারেরও কম) দূরত্বে অবস্থান করবে। পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৪০২ কিলোমিটার। বিশ্ববাসী আবারও আরেকটি সুপারমুন দেখতে পারবেন ২০৩০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি।

প্রতি বছর ২১ মার্চ সূর্য উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত কল্পিত বিষূব রেখা অতিক্রম করে। ঠিক এ সময় সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের এলাকা থেকে উত্তর গোলার্ধে প্রবেশ করে। এ ঘটনাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় ঘটে। কোথাও ১৯ মার্চ আবার কোথাও ২০ মার্চ এবং পৃথিবীর কোনো কোনো এলাকায় ২১ মার্চ ঘটে থাকে। এবার বাংলাদেশে এ ঘটনাটি ঘটবে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা ৫৮ মিনিটে।

পৃথিবী সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণকালে পৃথিবীর মেরু রেখা ধ্রুবতারা মুখী হয়ে কক্ষপথের সঙ্গে সব সময় ৬৬.৫ ডিগ্রি কোণ করে হেলে থাকে। আবার নিরক্ষ রেখা বা বিষূব রেখার সমতল কক্ষপথের সঙ্গে ২৩.৫ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে। এ কারণে প্রতি বছর ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিবা-রাত্রি সমান হয়ে থাকে। এ সময় পৃথিবীর দুই গোলার্ধেই দিনের বেলা ১২ ঘণ্টা করে আলো পায় এবং ১২ ঘণ্টা পায় না। অর্থাৎ দুই গোলার্ধেই দিন-রাত সমান হয়ে থাকে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫২
  • ১১:৫৮
  • ১৬:৩৩
  • ১৮:৪০
  • ২০:০৩
  • ৫:১৩
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102