আজ-  ,
basic-bank
সংবাদ শিরোনাম :

ধান বিক্রি করে খরচের টাকাও উঠছে না

বোরো মৌসুমে ধানের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না কৃষক। বগুড়ার হাটবাজারগুলোতে ধানের মূল্য নিয়ে কৃষকদের অভিযোগ, ধান বিক্রি করে খরচের টাকাও উঠছে না। সরকার ধান চালের মূল্য নির্ধারণ করলেও ক্রয় অভিযান এখনো শুরু হয়নি। মিল মালিকরা বলছেন, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হলে চালের আমদানি বন্ধ করে চিকন চাল রপ্তানি করতে হবে। আর খাদ্য বিভাগ বলছে, দু’একদিনের মধ্যে ধান চাল সংগ্রহ শুরু হবে।

বগুড়া এবং জয়পুরহাটের হাট-বাজারগুলোতে বেড়েছে ধানের সরবরাহ। কিন্তু বাজারে ক্রেতা না থাকায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অর্ধেক দামে ধান বিক্রিতে বাধ্য হচ্ছে কৃষক। তাদের দাবি, এমন মূল্যে উৎপাদন খরচ তো উঠবেই না বরং লোকসান গুনতে হচ্ছে।
২৫ এপ্রিল থেকে খাদ্য বিভাগের ধান-চাল ক্রয় অভিযান শুরু করার কথা থাকলেও বরাদ্দ মিলেছে সবেমাত্র। জেলাগুলোতে যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা সামান্যই।
ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হলে চালের আমদানি বন্ধ করে চিকন চাল রপ্তানি করতে হবে এমনই অভিমত মিল মালিক ও পাইকারি ক্রেতাদের।
জেলাগুলোতে বরাদ্দ মিলেছে, বুধবার খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ায় ধান চাল ক্রয় অভিযানের উদ্বোধন করবেন বলে জানায় খাদ্য বিভাগ। এর মাধ্যমে দাম কিছুটা বাড়বে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
বগুড়ায় এবার ৭৮ হাজার মেট্রিক টন চাল এবং ৫ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনবে খাদ্য বিভাগ। প্রতি কেজি চাল ৩৬ টাকায় ও ২৬ টাকা কেজি দরে ধান কিনবে সরকার। বর্তমানে ফড়িয়ারা প্রতি বাজারে প্রতি কেজি ধান কিনছে মাত্র ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।