আজ-  ,
basic-bank
সংবাদ শিরোনাম :

চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু; প্রতিবাদ করায় নিহতের স্বজনদের মারপিট

মো: আ: হামিদ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি: টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতলে চিকিৎসকের অবহেলার এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় নিহতের স্ত্রীসহ স্বজনদের বেদম মারপিট করেছে হাসপাতালের কর্মচারী ও ইন্টার্নি ডাক্তাররা। পরে ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী ও স্বজনরা লাশ নিয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ কাে রাখে।

বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের ছোট ভাই হুমায়ন রশিদ আকন্দ সোনা জানান, বিকেল সাড়ে তিনটা দিকে শ্বাস প্রশাসের সমস্যা নিয়ে তার বড় ভাই মুকুল আকন্দকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা অবনতি হওয়ায় সাড়ে ৬ টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

পরিবারের লোকজন এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে গেলে কর্তব্যরত ডা: সজিব অক্সিজেন খুলে দেয়। এর পর ছটফট করতে করতে মারা যায় আমার ভাই। এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে আনার পর মুকুল আকন্দকে মৃত দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা। আমার বড় ভাই ডাক্তারের অবহেলার কারনে মারা গেছে।

তিনি আরোও বলেন, হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা: সজিবসহ ২০/২৫জন ইন্টার্নি শিক্ষার্থীরা আমাদের মারপিট শুরু করে।

নিহতের স্ত্রী হাসিনা বেগম ও ছেলে মাসুমকে বেদম পিটিয়ে রক্তাক্ত করে তারা। পরে আমাদের হাসপাতালের জরুরী বিভাগে আটক করে রাখা হয়। এসময় সংবাদকর্মীরা ভিডিও ধারন করতে গেলে তাদের উপরেও চরাও হয় ইন্টার্নি ডাক্তার ও কর্মচারীরা। পরে পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে নিহত স্বজনদের উদ্ধার করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেনে আনে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক নারায়ন চন্দ্র সাহা বলেন, ওই বিষয়টি মীমাংশা করার চেষ্টা করছি। তবে ওই রোগীকে জরুরী বিভাগ থেকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছিলো। জোরপূর্বক হাসপাতালে ভর্তি করে। ঢাকায় নেওয়ার সময় নিচতলায় রোগিটি মারা যায়। রোগী মারা যাওয়ার পর তার পরিবারের লোকজন জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত সকলকে মারধর করে আহত করেছে বলে জানান তিনি।

এলাকাবাসী ও রোগীর স্বজনরা এ ঘটনার বিচার দাবিতে হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করে সড়ক অবরোধ করে রাখে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।