আজ-  ,
basic-bank
সংবাদ শিরোনাম :

কাঞ্চনব্রিজে টোলের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়

ব্যারিস্টার সুমন। বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করেন তিনি। এবার মধ্যরাতেও মানুষের কষ্টের কথা তুলে ধরলেন সুমন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন সেতুতে টোল আদায়ে ধীরগতির কারণে সৃষ্ট যানজটের চিত্র তুলে ধরেন তিনি।

লাইভে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, এখানে টোল তোলা হয়। একটা লিস্ট দেওয়া আছে। সেই লিস্ট অনুযায়ী এখানে টাকা নেওয়া হয়। এখানে কত টাকা নেওয়া হয় সে বিষয়ে আমার কোন অভিযোগ নেই। যারা এটা পরিচালনা করছেন তাদের ব্যাপারেও আমার কোন অভিযোগ নেই।

তিনি বলেন, সিলেট থেকে শুরু করে নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ থেকে সবাই ৩০০ ফিট রাস্তা দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করেন। কাঞ্চন টোলপ্লাজায় চারটি টোল বসানো হয়েছে। টোল দেয়ার জন্য এখানে ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়িগুলোকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

সুমন বলেন, আমাকে দেখার পর কর্তৃপক্ষ একটু দ্রুত গতিতে কাজ করছে। কিন্তু আমি যখন এসেছিলাম, তখন আধা ঘন্টা লাগে শুধু টোলের টাকা দেয়ার জন্য। আমার কথা হচ্ছে, ঈদের সময়ে ঘরমুখো মানুষের কষ্ট কমানোর জন্য চাইলে কি কর্তৃপক্ষ এখানে লেন বাড়াতে পারেন না? টোল নেওয়ার জন্য কি জায়গা আরো বাড়ানো যায় না?

তিনি বলেন, টোল আদায়ের নামে এখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। যদি সিলেট যেতে ৬ ঘন্টা লাগে এই ব্রিজেইতো লাগে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময়। প্রধানমন্ত্রী যে রাস্তা করেছেন, এটা (৩০০ ফিট রাস্তা) বিদেশের মতো রাস্তা। এত সুন্দর রাস্তা কিন্তু টোল তোলার নামে মানুষের যে যন্ত্রনা হচ্ছে; তাহলে ভালো রাস্তা করে লাভ কি হল?

এসময় টোল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, টোলের নামে যে এত যানজট আপনারা কি তা দেখেন না? টোল নেন, আমি এসব ব্যাপারে কথা বলবো না। তাই বলে মানুষের শান্তির ব্যবস্থা করবেন না? সরকারের এত বড় উন্নয়ন, ৩০০ ফিট দিয়ে যেখানে বিদেশের মতো আসা-যাওয়া করা যায় কিন্তু এই ব্রিজে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়; এটার দিকে একটু নজর দেন। নাহলে এই উন্নয়নে কোন লাভ হবে না। একটু এসে দেখে যান, মানুষের কত কষ্ট হয়। এই সরকারের এত বড় সফলতাকে নষ্ট করে দিয়েন না।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।