ads
শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ১০:৫৬ অপরাহ্ন

নকলায় চকে আঁকা শহীদ মিনারে শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ০ বার পঠিত

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের নকলা উপজেলার বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা, বানেশ্বরদী উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের যৌথ মাঠে এবারও শহীদ মিনার তৈরী না হওয়ায় শিশু শিক্ষার্থীরা দেওয়ালে চক দিয়ে আঁকা শহীদ মিনারের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের স্মরণ করে, ওই প্রতীকি শহীদ বেদীতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেছে।

মাতৃভাষার প্রতি শিশুদের এমন প্রেম দেখে স্থানীয় অভিভাবকরা যেমন লজ্জিত হন, তেমনি সকলের চোখ যেন কপালে ওঠে যায়। জানা গেছে, পাকিস্তান আমলে তৎকালীন শিক্ষানুরাগী মরহুম খন্দকার মিজানুর রহমান নিজ এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার সুবিধার্থে বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা, বানেশ্বরদী উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ ও বানেশ্বরদী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের জন্য নি:স্বার্থে প্রয়োজনীয় জমি দান করেন।

এর পর থেকে এসকল প্রতিষ্ঠান ইউনিয়নবাসীর জন্য যেন আর্শীবাদে পরিণত হয়। কিন্তু দু:খ জনক হলেও সত্যি যে, মহান ভাষা আন্দোলনের ৬৮ বছর গত হলেও এসকল প্রতিষ্ঠানের চত্তরে শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়নি। তাই বরাবর শিশু শিক্ষার্থীসহ এলাকাবসীরা অস্থায়ী প্রতীকি শহীদ মিনার তৈরী করে ওই শহীদ বেদীতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে আসছেন। শিশু শিক্ষার্থী আরিফা, মরিয়ম, বৃষ্টি, মারজিয়া, বিপ্লব, আতিক, হাবিলসহ অনেকে জানায়, তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় অনেকে ২১ ফেব্রুয়ারিতে মাদরাসায় আসতে চায়না। আর যে বা যারা আসে তারা কাঠ, কলাগাছ বা বাঁশের তৈরী শহীদ মিনারে পুষ্পঞ্জলি অর্পণ করে। এবার এটাও সম্ভব না হওয়ায় তারা দেওয়ালে চক দিয়ে শহীদ মিনার এঁকে সেখানে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেছে।

এবিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল আনোয়ার মহব্বত জানান, এরই মধ্যে বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ, বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা ও বানেশ্বরদী উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যৌথ মাঠে শহীদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। আগামী বছর ২০২১ সাল থেকে নিজেদর প্রতিষ্ঠান চত্বরে নির্মিত নতুন শহীদ বেদীতে সকলেই পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করতে পারবেন বলে তিনি মনে করছেন।

বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর তাসলিমা খাতুন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমানের পরামর্শে এবার শহীদ মিনার নির্মানের কাজ শুরু করা হয়েছে; কিন্তু সময় স্বল্পতার জন্য শহীদ বেদীটির নির্মান কাজ শেষ হয়নি। তবে কয়েক দিনের মধ্যে নির্মান কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। বানেশ্বরদী উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম ফিরুজ জানান, সরকার থেকে প্রাপ্য স্লিপের ১৮ হাজার টাকা, প্রাথমিক বিদ্যালয়, বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা দাখিল মাদরাসা, বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় শহীদ মিনারের নির্মান কাজ শুরু হয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মান শেষ হবে বলে তিনি জানান। নিজ প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার না থাকায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা ভাষা শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে পারেন না।

 

তাই অনেক শিা প্রতিষ্ঠান এ দিবসটিতে অন্য প্রতিষ্ঠানে পুষ্পস্তবক অর্পণের অজুহাতে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কৌশলে ছুটি ভোগ করেন! যা আমাদের জতীয় জীবনে কলঙ্ক। অথচ এ বাংলা ভাষা বা মাতৃভাষার অধিকার ও সুনাম রক্ষার ইতিহাস রচনা হওয়ায়, প্রায় দুই যুগ ধরে ঐতিহাসিক এ দিবসটিকে বিশ্ববাসী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। কিন্তু আমরা এ দিবস পালনে কেনজানি নানান অজুহাত খুঁজি, যা কারো কাম্য নয়; অনেক সচেতন নাগরিক এভাবেই কথা গুলো বললেন।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫৪
  • ১২:০৭
  • ১৬:৪৩
  • ১৮:৫৩
  • ২০:১৮
  • ৫:১৮
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102