ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় নারী ও শিশুসহ ১৭ জন কে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ শুক্রবার (৫ মার্চ) ভোর ও বৃহস্পতিবার রাতের দিকে বিজিবির শ্যামকুড় বিওপি এলাকা থেকে ১০ জন এবং মাটিলা বিওপি এলাকা থেকে ৭জনকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৬জন নারী, ৬জন শিশু ও ৫জন পুরুষ রয়েছে।
উদ্ধারকৃত ব্যক্তিদের বাড়ি খুলনার সোনাডাংগা, বরিশালের কাজিরহাট, বরগুনার তালতলি, নড়াইল জেলার সদর ও গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায়। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা ঝিনাইদহের দীর্ঘ এই সীমান্ত কে নারী ও শিশু পাচারের রুট হিসাবে ব্যবহার করে পাচারকারী ও দালালচক্র। এখানকার সীমান্তের অনেক স্থানে নেই কাঁটাতার, এমনকি সীমান্ত দিয়ে যাওয়া ইছামতি নদীটিও মৃত প্রায়।
ফলে বিজিবির নজরদারী এড়িয়ে সহজেই সীমান্তের ওপারে যাওয়া যায়। দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ কে এই সীমান্তে এনে জড়ো করা হয় পাচারের জন্য। তবে বিজিবি পাচারের শিকার নারী, শিশু ও পুরুষদের উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও অধরা থেকে যাচ্ছে পাচারকারী ও দালালচক্র।
বিজিবি জানিয়েছে, মহেশপুর সীমান্তের মকরধ্বজপুর গ্রাম থেকে যে এই পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত মাহাবুল আলম নামের এক দালাল কে আটক করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত এসব বাংলাদেশী নাগরিকদের অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা এবং ভারতে পারপারে সহায়তা করার অপরাধে বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধ্যাদেশ ১৯৭৩ এর ১১(১)(গ) ধারায় মহেশপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান।