২৪ বছর আগে এক কলেজ শিক্ষিকাকে অপহরণ শেষে জোরপূর্বক বিয়ে করেন সোহেল মিয়া। সেই অপরাধে তার শাস্তি হয় ১৪ বছরের কারাদণ্ড। এ দণ্ড এড়াতে জীবনের ২৪ বছর দেশ ছাড়া ছিলেন সোহেল। অবশেষে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে গোকর্ণঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোহেল মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সাহারপাড় গ্রামে। তার বাবার নুরুল হক।
পুলিশ সূত্র জানায়, সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ কলেজের এক শিক্ষিকাকে ১৯৯৭ সালে এলাকার বখাটে সোহেল তার বাহিনী নিয়ে অপহরণ করেন। পরে তাকে জোরপূর্বক বিয়েও করেন। এ ঘটনার পর অপহৃত নারীকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সোহেলকে প্রধান আসামি করে নয়জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী।
শিবপুর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মসিউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ২৪ বছর আগের চাঞ্চল্যকর এ অপহরণ মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত প্রধান আসামি সোহেল দীর্ঘদিন বিদেশে পলাতক ছিলেন। দেশে আসার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মকবুল হোসেন বলেন, ১৯৯৮ সালে আদালতের রায়ে দণ্ডিত আসামি সোহেলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।