এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শাহীন আলম মারা গেছেন। ৮ মার্চ সোমবার রাত ১০ টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট থাকা অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না..রাজিউন)।
শাহীন আলমের একমাত্র ছেলে ফাহিম নূর আলম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রায় পাঁচ বছর ধরে তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। গত সোমবার তাঁর হালকা জ্বর আসে।এরপর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।আর শনিবার রাতে বাবার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। এরপর সাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।অবশেষে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
১৯৮৬ সালের এফডিসির নতুন মুখের সন্ধানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান শাহিন আলম। এরপর বেশকিছু সিনেমায় অভিনয় করেন। প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহের সঙ্গেও কাজ করেছেন এই চিত্রনায়ক। শাহিন আলম ‘ঘাটের মাঝি, এক পলকে, গরিবের সংসার, তেজী, চাঁদাবাজ, প্রেম প্রতিশোধ, টাইগার, রাগ-অনুরাগ, দাগী সন্তান, বাঘা-বাঘিনী, আলিফ লায়লা, স্বপ্নের নায়ক, আঞ্জুমান, অজানা শত্রু, দেশদ্রোহী, প্রেম দিওয়ানা, আমার মা, পাগলা বাবুল, শক্তির লড়াই, দলপতি, পাপী সন্তান, ঢাকাইয়া মাস্তান, বিগবস, বাবা, বাঘের বাচ্চা, বিদ্রোহী সালাউদ্দিন উল্লেখযোগ্য।
শাহীন আলম জসিম, রুবেল, ইলিয়াস কাঞ্চন, মান্না, শাকিব খান-দের ছবিতে দ্বিতীয় নায়কের ভূমিকায় থাকলেও তার চরিত্রের গুরুত্ব থাকত। নিজে মূল নায়কও ছিল ‘ঘাটের মাঝি, এক পলকে, আলিফ লায়লা, পাপী সন্তান’ ছবিগুলোতে। এমনকি একাধিক নায়কের ছবিতেও তার ভূমিকা থাকত অন্যতম। যেমন-‘গরিবের সংসার’ ছবিতে জসিম, বাপ্পারাজ, ড্যানি সিডাক থাকার পরেও শাহীন আলম ছিল ছবির অন্যতম নায়ক। বিপরীতে ছিল লিমা। লিমা তিন ভাইয়ের আদরের বোন। লিমা শহরে এসে বিপদে পড়ার পর শাহিন আলম তাকে আশ্রয় দেয়। লিমার জীবন পাল্টে দেয়াতে তার অবদান থাকে। এভাবে অন্য ছবিগুলোতেও ভূমিকা ছিল।