টাঙ্গাইলে কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের পুরবাসিন্দা গ্রামে মাদরাসা ছাত্র রিপন হোসেন সিদ্দিকী (২২) তার বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে ৭ দিন যাবত উধাও রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার পুরবাসিন্দা এলাকার মজিবর রহমান সিদ্দিকীর সৌদি প্রবাসী ছেলে দেলোয়ার হোসেনের (৩৫) সাথে ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের দেলুটিয়া গ্রামের ইয়ার মাহমুদের মেয়ে আরজিনা বেগমের (২০) তিন মাস পূর্বে মোবাইলের মাধ্যমে কাবিন হয়। দেবর রিপন ঢাকার একটি মাদরাসায় আলেম শিক্ষায় অধ্যয়নরত। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আরজিনার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় রিপনের। এ সম্পর্কের টানে ভাবী আরজিনা বেগমকে তার বাবার বাড়ি দেলুটিয়া থেকে নিয়ে গত ২ মার্চ (মঙ্গলবার) উধাও হয়। এরপর গত ৭ মার্চ রাতে রিপন তার ভাবী আরজিনাকে নিয়ে পুরবাসিন্দা গ্রামে তাদের নিজ বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়।
রিপনের উপস্থিতির খবর পেয়ে এলাকাবাসী ভিড় করলে রিপন তাদের জানায়, আরজিনার সাথে তার কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিয়ে হয়েছে। আরজিনা তার বৈধ স্ত্রী। কিন্তু বড় ভাই দেলোয়ারের সাথে ভাবী আরজিনার তালাক না দিয়ে রিপন কিভাবে ভাবী আরজিনাকে বিয়ে করেছে জানতে চাইলে রিপন সুকৌশলে পরের দিন ৮ মার্চ ভোরে আরজিনাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এর আগেও রিপন তার আরেক সৌদি প্রবাসী ভাই লিটন হোসেন সিদ্দিকীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। পরে এলাকাবাসীর চাপে তিন মাস পরে রিপন তাকে ডিভোর্স দেয়। একই রকমের ঘটনা দ্বিতীয়বার ঘটায় এলাকাবাসী চরম ক্ষুব্ধ।
ঘটনার বিষয়ে রিপনের বাবা মজিবর রহমান সিদ্দিকী বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। রিপন সিদ্দিকীকে তিনি বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। রিপনের জন্য তার বাড়ির দরজা সারা জীবনের জন্য বন্ধ।
এ বিষয়ে পারখী ইউপি চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত হোসেন তালুকদার বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে ঘটনার খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।