ধেয়ে আসছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। আবারও বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ। এই হার এখন ৭ শতাংশের উপর। আর বেশি আক্রান্ত হচ্ছে তরুণরা। তাই করোনা মোকাবেলায় সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
গেলো বছরের ৮ মার্চ থেকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে বাংলাদেশ। এরপর বাড়তে থাকে সংক্রমণ আর মৃত্যুর সংখ্যা। সেই ধারা কমতে শুরু করে এবছরের শুরুতে। গেলো ১৩ ফেব্রুয়ারি দেশে সবচেয়ে কম ২.২৬ শতাংশ ছিলো সংক্রমণের হার। যা ৬ দিন পরেও ছিলো ৩ শতাংশের নিচে। এই বাস্তবতায় যখন সবাই কিছুটা স্বস্তিতে তখনই পাল্টাতে শুরু করে চিত্র। গেল ৮ মার্চ সংক্রমণের হার ছিলো ৪.৯৮ শতাংশ। পরেরদিনই তা চলে যায় ৫ শতাংশের উপরে। সেই থেকেই ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনার সংক্রমণ। তথ্য বলছে ১০ মার্চ করোনার সংক্রমণের হার ৫.৯৮ শতাংশ থাকলেও চার দিনের ব্যবধানে তা পৌঁছায় ৬.৬২ শতাংশে।
করোনা সংক্রমণের আবারও ঊর্ধ্বগতিতে বাড়ছে সংশয়। তাই দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দেশের সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে।
চিকিৎসকরা বলছেন, গত কয়েক মাস স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণেই নতুন করে সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। একই সাথে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি হাসপাতালগুলো প্রস্তুতির কথাও জানালেন তারা।
করোনা দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে সচেতন হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।