চারটি ধাপে দেশটিতে ১৫ মার্চ থেকে ৪ মের মধ্যে চলমান লকডাউন তুলে নেয়ার পরিকল্পনা করছে পর্তুগাল। ১৫ মার্চ থেকে খোলার কথা রয়েছে ডে কেয়ার সেন্টার এবং প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় মে থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে যাচ্ছে দেশটি।
মঙ্গলবার দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বুধবার চলমান জরুরি অবস্থা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি মার্সেলো রেবেলো ডি সউজা। বৃহস্পতিবার সে প্রস্তাব সংসদে পাস হওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক ও লকডাউনের পক্ষে-বিপক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে ধীরে ধীরে লকডাউন তুলে দেয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তোনিও কস্তা।
পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তোনিও কস্তা বলেন, খুবই ধীর গতিতে আমরা সবকিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অনেকেরই একটি প্রশ্ন রয়েছে, কেন আমরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেহেতু সংক্রমণের হার কমছে, তাই আমরা মনে করছি ঝুঁকিও কিছুটা হলেও কমছে।
১৫ মার্চ থেকে ৪ মের মধ্যে ৪টি ধাপে সব কিছু স্বাভাবিক করতে সম্ভাব্য পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
১৫ মার্চ থেকে যা যা খুলছে: ডে কেয়ার সেন্টার ও প্রাক প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বাইরে দাড়িয়ে কেনাকাটা, সেলুন, পার্লার বা এই জাতীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, বইয়ের দোকান, লাইব্রেরি, আর্কাইভ, গাড়ির দোকান এবং রিয়েল এস্টেট ব্যবসা।
১৯ এপ্রিল যা যা খুলছে: মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম, অডিটোরিয়াম, সিনেমা, থিয়েটার বা এ জাতীয় প্রতিষ্ঠান, সিটিজেন শপ এবং শপিং মল সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে রেস্টুরেন্ট এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক লোকের অন্যান্য অনুষ্ঠান ও জনসমাগম হবে।
৪ মে থেকে যা যা খুলছে: স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব ধরনের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
সাধারণ নিয়ম ও সময়সীমায় স্বাস্থবিধি মেনে সব রেস্টুরেন্ট ও বার, স্টেডিয়ামসহ সব ধরনের আউটডোর একটিভিটি এবং মাঠে খেলাধুলা।
এপ্রিল পর্যন্ত ইস্টার সানডে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে এক সিটি করপোরেশন থেকে অন্য সিটি করপোরেশনে যাতায়াত বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ইস্টারের পর খুলে দেয়া হতে পারে স্পেনের সঙ্গে সীমান্ত। তবে চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে গতি পেতে পারে অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম।