মিয়ানমারে সেনা শাসনবিরোধী বিক্ষোভে আরও দুইজন নিহত হয়েছেন। মোগক এলাকায় সেনাদের গুলিতে নিহত হন তারা। এ নিয়ে দেশটিতে ২৩৭ বিক্ষোভকারী নিহত হলো।
এছাড়াও ইন্টারনেটের ওপর বিধিনিষেধ আরও কঠোর করেছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, দেশটিতে আজ আরও বড় আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
দেশটির সেনা শাসকদের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বেড়েছে। সামরিক বাহিনীর সহিংসতার বিরুদ্ধে সবাইকে একসাথে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ দেশটির ওপর অর্থনৈতিক ও অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন। সেনা অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়ে আইন পাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এছাড়াও বিক্ষোভকারীদের ওপর চালানো হামলার কড়া সমালোচনা করেছে দেশটির আইনপ্রণেতারা।
অন্যদিকে, পশ্চিমাদেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন সেনা শাসকদের নিপীড়ন, গণমাধ্যম ও ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া তাদের জঘন্য কার্যক্রমকে লুকিয়ে রাখতে পারবে না।
নিন্দা জানিয়েছে এশিয়ার দেশগুলোও। সহিংসতা বন্ধে আসিয়ানের জরুরি বৈঠক ডাকার আহ্বান জানিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদাদো।
এছাড়াও, দেশটির বিরুদ্ধে আসিয়ানকে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।