টাঙ্গাইলের নাগরপুরে স্ত্রী থাকা স্বত্বেও আপন চাচাতো বোনের সাথে বিয়ে না করেই দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ সম্পর্ক চলছিল। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে, এলাকাবাসীর চাপে পড়ে বিয়ে করতে বাধ্য হন ওই যুবক। এদিকে ভুক্তভোগী পাচ্ছে না স্ত্রীর মর্যাদা।
এলাকাবাসী জানান, প্রায় ৩ বছর যাবত ওই তরুণীর সঙ্গে তার চাচাতো ভাইয়ের অবৈধ সম্পর্ক চলছিল। ওই যুবকের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে।
এদিকে দুজনের অবৈধ সম্পর্ক এলাকায় জানাজানি হলে, এলাকাবাসীর চাপের মুখে তার চাচাতো বোনকে বিয়ে করতে বাধ্য হয় ওই যুবক। পরে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে চাচার বাড়ি তুলে দেয়।
ভুক্তভোগী ওই তরুণী জানান, গত ৩ বছর ধরে তার চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরপর থেকেই আগের স্ত্রী ও সন্তান থাকা স্বত্বেও প্রেমের ছলনা করে তাকে স্ত্রীর মত ব্যবহার করে আসছিল। পরে তাকে গত ১৫ মার্চ টাঙ্গাইল তার বোনের বাসায় নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। বিয়ের পর তাকে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ভাদ্রা নামক স্থানে সিএনজি থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে তিনি পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে আমার চাচার বাড়ি তুলে দিলেও তার স্বামী তার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করছে না।
তিনি বলেন, আমার মাকে খুব অল্প বয়সে হারিয়েছি, আমার বাবা খুব অসুস্থ, বিছানা থেকে উঠতে পারে না, আমাদের থাকার মত নিজস্ব কোন ঘর নেই। এমতাবস্থায় আমি কি করব, কোথায় যাব, বুঝতে পারছি না।
ওই যুবকের মা মা জানান, বিষয়টি সত্য, তার ছেলে তার চাচাতো বোনকে বিয়ে করেছে। তারা তাদের বউকে মেনে নিয়েছে। এখন তার ছেলে মেনে নিলে তাদের কোন সমস্যা নেই।
এ ব্যাপারে ধুবড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বিষয়টির সুরাহার চেষ্টা করছি। এরপরও যদি বিষয়টি সুরাহা না হয় তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।