বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড সফরে ফরম্যাট বদলালেও বদলায়নি বাংলাদেশের ভাগ্য। প্রথম টি টোয়েন্টিতে বাজেভাবে হেরেছে সফরকারীরা। ৬৬ রানের জয়ে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেলো কিউইরা।
ডেভন কনওয়ের ঝড়ে নিউজিল্যান্ড তুলেছিলো ৩ উইকেটে ২১০ রান। কিন্তু একদিকে সিনিয়র ক্রিকেটারদের অনুপস্থিতি অন্যদিকে সৌম্য, লিটন, মিথুনদের ব্যর্থতায় ৮ উইকেটে ১৪৪ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ।
যেখানে শেষ ঠিক সেখান থেকেই শুরু। ওয়ানডে সিরিজের ব্যর্থতা ভর করেছে টি টোয়েন্টিতেও। ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার যে প্রতিশ্রুতি ছিলো বাংলাদেশ অধিনায়কের, তা ভাঙতে সময় লাগেনি। যাদের ওপর প্রত্যাশা ছিলো সবচেয়ে বেশি, হতাশও করেছেন সমানুপাতিকভাবে।
ব্যাটিংয়ের গল্প দিয়েই শুরু করা যাক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের কন্ডিশনে ২১১ রানের টার্গেট নি:সন্দেহে অনেক বড়। আর সে চ্যালেঞ্জটা নিতে ওপেনিংয়ে শেখ নাঈমের সঙ্গি লিটন দাস। তবে মাত্র ৫ বলের ইনিংসে সাউদির স্লোয়ারে কাটা পরেন লিটন।
আস্কিং রান রেটের চাপে ভেঙে পরেন নাঈমও। ১৮ বলে ২৭ রান করে লকি ফার্গুসনের শিকার এ টি টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট।
হতশ্রি ব্যাটিংয়ের শুরুটা তখনই। পরপর দুই ওভারে জোড়া আঘাত হেনেছেন লেগ স্পিনার ঈশ সোধি। প্রথম ওভারে সৌম্য আর মিথুন। আর পরের ওভারে ফিরিয়েছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ আর শেখ মেহেদিকে। তাতেই পুরোপুরি ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় টিম বাংলাদেশ। আর শরিফুলের ক্যাচ নিয়ে যেনো টাইগার তরুণদের লজ্জাই দিলেন ৩৫ ছুঁই ছুঁই মার্টিন গাপটিল। প্রাপ্তির মধ্যে ঈশ সোধিকে হ্যাটট্রিক বঞ্চিত করা আর স্রোতের বিপরীতে আফিফ হোসেনের ব্যাটিং। ফার্গুসনের বলে বোল্ড হবার আগে ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৫ রান আসে এ বা হাতির উইলো থেকে।
ম্যাচের শুরুতে বড় দু:সংবাদ, ইনজুরির কারনে নেই মুশফিক। টসে হেরে আরো ব্যাকফুটে বাংলাদেশ। তবুও শুরুতে আশার আলো জ্বেলেছিলেন অভিষিক্ত নাসুম আহমেদ। প্রথম ওভারেই তুলে নিয়েছেন প্রতিপক্ষ শিবিরে অভিষিক্ত ফিন অ্যালেনকে।
ক্রমেই ভয়ংকর হতে থাকা মার্টিন গাপটিলকেও ফিরিয়েছেন এ বা হতি স্পিনার। তবে ডেভন কনওয়ে আর উইলি ইয়ং টাইগার বোলাদের নিয়ে ছেলেখেলায় মাতেন। দুজনই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। ইয়ং ৫৩ রানে শেখ মেহেদির শিকার হলেও ৫২ বলে ৯২ রানে অপরাজিত কনওয়ে। মোস্তাফিজ, শরিফুল ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এদিন উইকেট শূণ্য রানও দিয়েছেন দুহাত ভরে।