ভিডিও ফুটেজ দেখে নাশকতাকারীদের শনাক্ত করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরইমধ্যে ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন সম্পদের ক্ষতি করেছে যারা,তাদের ভিডিও ক্লিপ সংগ্রহ করা হয়েছে।
গঠিত হয়েছে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি। তবে কবে নাগাদ ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় আন্তনগর ট্রেনগুলো থামবে তা অনিশ্চিত। রেলমন্ত্রী বলেছেন, তান্ডব চালিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ যারা ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকায় আগমনকে ঘিরে গত শুক্রবার সহিংস হয়ে উঠে ব্রাক্ষণবাড়িয়া। পুরো শহর জুড়ে তান্ডবের মধ্যে বড় ক্ষতি হয় রেলস্টেনসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
হেফাজতের নেতাকর্মীদের তাণ্ডবে এবং তাদের দেওয়া আগুনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনের সিগন্যাল সিস্টেমসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত শনিবার থেকে ওই স্টেশনে সব আন্ত:নগর ট্রেনের যাত্রা বিরতি বাতিল করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
রবিবার হেফাজতে ইসলামের হরতালেও রেলের ক্ষতি হয়েছে ব্রাক্ষণবাড়িয়ায়। চলন্ত ট্রেনেই হয় হামলা। হরতালকারীরা চট্টগ্রামগামী আন্ত:নগর ট্রেন সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের জানালা ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়।
ব্রাক্ষণবাড়িয়া রেলের ক্ষয়ক্ষতির তদন্তে ঢাকা বিভাগীয় সংকেত ও টেলি যোগাযোগ প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে রবিবার পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
এ কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এরইমধ্যে তদন্ত টিমের কাছে কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ এসেছে। ক্ষয়ক্ষতিও হিসেব করা হচ্ছে ।
রেলমন্ত্রী মুঠোফোনে বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে নাশকতাকারীদের শনাক্ত করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করে কেউ।’
এমন নাশকতার ঘটনার পর কোনো আন্ত:নগর ট্রেন ব্রাক্ষণবাড়িয়া রেল স্টেশনে থামছে না। কবে সেগুলো আবার থামবে তাও নিশ্চিত নয়।