আড়াই মাস আগে জন্ম দিয়েছেন ফুটফুটে সন্তান। কিন্তু মাতৃত্বের স্বাদ নিতে না নিতেই যৌতুকের দাবিতে স্বামী-শ্বশুরবাড়ির দেয়া আগুনে দগ্ধ হয়েছেন মৌলভীবাজারের রুনা আক্তার। হাসপাতালের বিছানায় আছেন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এ ঘটনায় মামলার পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে স্বামী-শ্বশুরকে।
বিয়ের একবছরের মাথায় যৌতুকের বলি মৌলভীবাজারের নোয়াগাঁও গ্রামের রুমি আক্তার। হাতাপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন ৭ দিন ধরে।
পরিবারের অভিযোগ ছেলেপক্ষের প্রথম চাহিদা অনুযায়ী বানানো হয়েছে আসবাবপত্র। কিন্তু আসবাবপত্র না নিয়ে তাদের নতুন আবদার মোটর সাইকেল অথবা বিদেশ যাওয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা। আর তা না পেয়ে পরিকল্পিতভাবে রুমির গায়ে আগুন ও গরম পানি ঢেলে দেয় স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও জা। এতে পুড়ে যায় তার শরীরের ৭০ ভাগ অংশ।
এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর ভাই। গ্রেপ্তারও করা হয়েছে স্বামী ও শ্বশুরকে। কিন্তু রুমির আড়াই মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে পলাতক শাশুড়ি ও জা। এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন স্থানীয়রা।
শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন রুমি আক্তার।