মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনে দুটি কেন্দ্রে মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় বিদ্রোহী প্রার্থী সোহেল রানা মিঠু ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এসএম হানিফ সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৩১ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিকারমঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এই ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষের সমর্থকরাই বোমা বিস্ফোরণ করেন। এ ঘটনায় প্রায় ২ জন আহত হন। তবে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
জানা গেছে, সকাল ৮টা থেকে বিরতীহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে নির্বাচন কেন্দ্রগুলোতে ভোটার সংখ্যা বাড়তে থাকে। সকাল থেকে ভোটার সংখ্যা চোখে পড়ার মতো ছিল।
মাদারীপুর জেলা নির্বাচন অফিসার মো মনিরুজ্জামান জানান, কালকিনি পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩৩ হাজার ৪শ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৬ হাজার ৯৫৮ জন ও নারী ভোটার ১৬ হাজার ৪৪২ জন। নির্বাচনে একজন জুডিশিয়াল বিচারকসহ মোট ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া ৬৭০ জন পুলিশ সদস্য, ২ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ৩টি টিম, গোয়েন্দা পুলিশ ও আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে।
প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ৩০ জন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ৩০ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১১ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন।
এই ঘটনার বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির হাসান বলেন, ২ নম্বর পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ওই কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি।