ads
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

সাতক্ষীরায় বাঁধ ভেঙে চার গ্রাম প্লাবিত

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১
  • ৩৬ বার পঠিত

সাতক্ষীরার আশাশুনির খোলপেটুয়া নদীর জোয়ারের পানির তোড়ে আবারও বাঁধ ভেঙে চার গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে তাদের আয়ের প্রধান উৎস চিংড়ি ঘের। বরাদ্দের পরও মূল বাঁধে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ না করায় আবারও ভাঙনের কবলে পড়েছে নদীরক্ষা বাঁধ।

ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতার কারণে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই আবারও প্লাবিত হলো।

যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, স্বেচ্ছাশ্রমে এলাকাবাসীর মাধ্যমে দ্রুতই মেরামত করা হবে ওই রিং বাঁধ। দেরিতে হলেও মূল বাঁধ মেরামতে কাজ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সুপার মুন পূর্ণিমার গোনে নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়ে আঘাত হানে দয়ারঘাট বেড়িবাঁধে। চারটি পয়েন্টে ভেঙে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে আশাশুনিবাসীর প্রধান আয়ের উৎস মৎস্য ঘের। তলিয়ে গেছে ক্ষেতের ফসল।

সকালে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করলেও জোয়ারের পানির তোড়ে চারটির মধ্যে দুইটি ভাঙন এলাকা দিয়ে দুপুর থেকে পানি ঢোকা শুরু করেছে। গত ২০ মে রাতে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা।

হতদরিদ্র মানুষ সর্বশান্ত হয়ে যায়। সেদিনের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে না উঠতে ধারদেনা করে ঘেরে মাছ ছেড়ে আর ক্ষেতে ফসল লাগায় তারা। যা পূর্ণিমার গোনে আবারও প্লাবিত হয়।

যারা ৯ মাসেও বাড়ি ফিরতে পারেনি তারা এবারের ভাঙনে চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আর এজন্য এলাকাবাসী দায়ী করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডকে। ত্রাণ নয়, টেকসই বাঁধ নির্মাণই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর দাবি।

বার বার বলার পরও দয়ারঘাটের দুটি পয়েন্টে ৯ মাসে বাঁধ নির্মাণ সম্ভব হয়নি, আর এজন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতাকে দায়ী করেন আশাশুনি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন।

স্বেচ্ছাশ্রমে এলাকাবাসীর মাধ্যমে দ্রুতই মেরামত করা হবে এ রিং বাঁধ উল্লেখ করে পানি উন্নয়ন বোডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার জানান, এ বাঁধ মেরামতে দেরী হলেও জরুরি ভিত্তিতে ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

ওই ভাঙনে দয়ারঘাট, দক্ষিণ জেলেখালী, জেলেখালীসহ সদরের ইউনিয়নের চারটি গ্রামের শতাধিক পরিবার মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102