নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যায় লঞ্চ ডুবির ঘটনায় আজ মঙ্গলবার আরো পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৩৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
নিখোঁজ লোকজনের খোঁজে সকাল থেকেই নদীর পাড়ে ভিড় করেন তাদের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তারা স্থানীয়দের সহায়তায় নিজেরাই স্বজনদের অনুসন্ধান শুরু করে। এক সময় তিনটি মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে নৌপুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা। নৌপুলিশের ডুবুরি দল এসে শিশুসহ আরো ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে।
এর আগে, সোমবারই উদ্ধার কাজ সমাপ্ত ঘোষণা করে বিআইডব্লিউটিএ। সোমবার দুর্ঘটনার প্রায় ১৮ ঘন্টা পর লঞ্চটি উদ্ধার করে তীরে টেনে আনা হয়। এরপর বের করা হয় একের পর এক মরদেহ। এ দুর্ঘটনায় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে, রবিবার নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে অর্ধশত যাত্রী নিয়ে এ লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটে। কয়লাঘাট এলাকায় একটি মালবাহী জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চটি ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়া লঞ্চটির নাম সাবিত আল হাসান। নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ রুটে যাত্রী নিয়ে চলাচল করে লঞ্চটি। প্রতিদিনের মতো রবিবারও যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা তাহেরী ববিকে প্রধান করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে পাঁচ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।