দাতা সংস্থা ও সরকারের সাথে আলোচনার পরই ভাসানচরে অর্থায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জাতিসংঘ। ইমেইলে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি। ভাসানচরের সার্বিক অবকাঠামোর প্রশংসা করলেও দুর্যোগকালীন ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ আছে তাদের।
চলতি বছর মার্চে প্রথমবারের মতো ভাসানচর সফর করে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল। পরে সরকারকে দেয়া দুই পাতার প্রতিবেদনে প্রাথমিক মতামত
তুলে ধরে সংস্থাটি। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা UNHCR থেকে ইমেইলে জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শের কথা।
জাতিসংঘ মনে করে, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য বিশেষ করে শিশু, নারী বয়স্কদের নির্দিষ্ট প্রয়োজন মেটাতে হবে। থাকতে হবে শিক্ষা,উন্নয়ন এবং কাজের সুযোগ। ভাসানচরে সরকারের বিনিয়োগ, অবকাঠামো নির্মাণের প্রশংসা করলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগে জরুরী ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত খাবার ও সেবার জোগান নিয়ে শঙ্কা জানায় সংস্থাটি।
ই-মেইলে UNCHR জানায়, আগামীতে ভাসানচর ইস্যুতে কাজ করতে সরকারের সাথে আরো আলোচনার প্রয়োজন আছে। এর মাধ্যমে ভাসানচর পরিচালনা পরিকল্পনা ও নীতি প্রণয়ন করা হবে। আর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, দাতা সংস্থা ও সরকারের সাথে আলোচনার পরই, ভাসানচরে অর্থায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জাতিসংঘ।
সরকার বলছে, জাতিসংঘ সার্বিকভাবে ভাসানচর সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানিয়েছে। দ্রুতই দশ পাতার আরো একটি প্রতিবেদন দেয়ার কথা রয়েছে জাতিসংঘের।