বিকল্প উৎস থেকে করোনা টিকা এনে প্রয়োগের জন্য ওষুধ নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে চীনের সিনোফার্মার টিকার আইনি বাধা কাটলো। তবে, বেসরকারিভাবে টিকা আমদানিতে আপাতত মিলছে না অনুমতি। চ্যানেল টোয়েন্টিফোরকে এ সব তথ্য জানান, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা এসেছে ১ কোটি ৩ লাখ। এর মধ্যে টাকায় কেনা টিকা মিলেছে ৭০ লাখ। বাকিটা উপহারের। প্রথম ডোজের টিকা বন্ধ করার পর বর্তমান মজুত দিয়ে ১৩ লাখ মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া সম্ভব নয়। আর ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, তাদের দেশে টিকার সংকট থাকায় এই মুহূর্তে বাংলাদেশে ভ্যাকসিন পাঠানো যাবে না।
তাই টিকা পেতে চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ করছে বাংলাদেশ। চীনের সিনোফার্মার টিকা আনার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুই ডোজের এই টিকার কার্যকারিতা ৭৯ শতাংশ।
দেশের ওষুধ নীতিমালা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ৭ দেশ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমতি ছাড়া কোনো ওষুধ বা টিকার অনুমোদন দেয়া হয় না। কিন্তু বৈশ্বিক এই অনুমতি নেই চীনের টিকার। তাই পরিবর্তন আনা হয়েছে নীতিমালা।
জরুরি এই অনুমোদনের জন্য চীনের কাছে বেশ কিছু নথি চেয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। সংরক্ষণ ক্ষমতা থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবিত টিকা মর্ডার্নার দিকেও নজর রাখছে বাংলাদেশ।
টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স থেকে ফাইজার-বয়োএনটেকের ভ্যাকসিন মিললেও প্রয়োগের আগে অনুমতি নিতে হবে ঔষধ প্রশাসনের।