নাটোরের বড়াইগ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ১০ বছরের এক শিশুর শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের বাহিমালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শ্লীলতাহানির ঘটনায় অভিযুক্ত সবুজ আহম্মেদ (২৫) বাহিমালি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।
ভুক্তভোগী ও তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ এপ্রিল শিশুটির মা বাড়ির পাশে ঘাস কাটতে যান। এই সুযোগে সবুজ পান খাওয়ার নাম করে ঘরে ঢুকে শিশুটিকে শ্লীলতাহানি করে।শিশুটি কান্না করলে সবুজ তাকে ১০০ টাকা হাতে দিয়ে বিষয়টি কাউকে না বলার কথা বলে। শিশুটি চিৎকার দিলে অভিযুক্ত লম্পট পালিয়ে যায়। পরে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে।
বিষয়টি জানাজানি হলে গত বুধবারে স্থানীয় মাতব্বর ও ইউপি সদস্যকে ভুক্তভোগীর মা বিষয়টি জানালে তারা মীমাংসার আশ্বাস দেয়।
শনিবারে ঘটনাটি মীমাংসার নামে অভিযুক্ত সবুজ ও ভুক্তভোগী উভয়ের পরিবারকেই নিয়ে সালিশ বসায় স্থানীয় ইউপি মেম্বর ও সামাজিক নেতারা। পরে সালিশি বৈঠকে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সবাই পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী বখাটে সবুজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। সবুজের বিরুদ্ধে এমন আরও একাধিক ঘটনা ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ বলছে, ইউপি মেম্বার বা গ্রাম্য মাতব্বরদের এ ধরনের সালিশ করার এখতিয়ার নেই। তারা বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমি মেয়ের মা-বাবার সঙ্গে বারবার মোবাইলে ফোনে কথা বলছি। উনারা থানায় অভিযোগ করতে আসেন নাই। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে।