ads
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা নির্মাণ হচ্ছে পর্তুগালে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৪ বার পঠিত

ইউরোপের দেশে পর্তুগালে প্রথমবারের মতো ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা নির্মাণ হচ্ছে। দেশটির উত্তরের জেলা ভিয়েনা কাস্টেলোর পারেদেস দে কোরা নামক অঞ্চলে স্প্যানিশ ফার্মাসিটিক্যালস কোম্পানি জেন্ডাল এই কারখানা নির্মাণ করছে। চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে কারখানাটি ভ্যাকসিন প্রস্তুত করতে পারবে।

গত ২২ এপ্রিল পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তা নির্মাণাধীন ভ্যাকসিন কারখানার কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, মহামারিটি প্রমাণ করেছে যে, ভ্যাকসিনের জন্য সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তাৎক্ষণিক টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হলো উৎপাদন ক্ষমতা। ইউরোপের ভ্যাকসিন তৈরির সীমিত ক্ষমতা রয়েছে, যা বিশাল একটি দুর্বলতা।

তিনি আরো বলেন, এটি সবার জন্য এক বিরাট ধাক্কা, এটা ভাবা যে আমরা সবচেয়ে উন্নত মহাদেশে বাস করি। যখন আমরা করোনার মতো ভাইরাসের ঝুঁকিতে পড়ি, তখন আমাদের জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে বাধা তৈরি করার ক্ষমতা নেই।

বর্তমান মহামারির প্রেক্ষাপটে এটি কী কার্যকর ভূমিকা পালন করবে? এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারখানাটির নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই আমরা সম্ভবত মহামারিটিকে পরাজিত করব। বর্তমান মহামারির কারণে এই বিনিয়োগের কথা ভাবা হয়নি। যদি কোনো কারণে ভবিষ্যতে নতুন কোনো মহামারির বিস্তার ঘটে, সেক্ষেত্রে আমাদের ইউরোপে আরো একটি স্থান বাড়ল সেই মহামারিকে মোকাবিলা করার জন্য।

এই পদক্ষেপটি নিঃসন্দেহে চমৎকার। এটি পর্তুগালের স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও করোনা মহামারির শুরুতে পর্তুগালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৪০০টি। যা কয়েক মাসে এক হাজারের বেশি শয্যায় উন্নীত করা হয়। ফলে গত জানুয়ারিতে করোনার তৃতীয় আঘাত সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছিল।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102