আগামী ১৭ মে থেকে নিজেদের স্থল, জলপথ ও আকাশপথ পুরোপুরি খুলে দেবে সৌদি আরব। সৌদি ইন্টেরিয়র মিনিস্ট্রি রবিবার (২ মে) এ ঘোষণা দিয়েছে। সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করোনার টিকাদানকারী যেকোন ব্যক্তি বাইরের যেকোনো দেশ থেকে সৌদি আরবে আগামী ১৭ মে রাত ১টার পর থেকে প্রবেশ করতে পারবে।
যেসকল নাগরিক করোনা ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিয়েছেন কিংবা প্রথম ডোজ নেয়ার ১৪দিন অতিবাহিত হয়েছে তারা সৌদিতে প্রবেশের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন।
যেসব দেশে করোনার অধিক সংক্রমণ ঘটেছে কিংবা যেসব দেশে করোনায় সংক্রমণের হার অধিক সেসব দেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সৌদি নাগরিকদের অধিক সতকর্তামূলক পন্থা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সেইসব দেশে ভ্রমণ বাতিল করতেও বলা হয়েছে।
সৌদিতে ভ্রমণের আগে তাওয়াক্কালনা অ্যাপে আবেদন করে পূর্বানুমতি নিতে হবে।
প্রথমত যেসব নাগরিক ইতোমধ্যে করোনা ভ্যাকসিনের দুটো ডোজ নিয়েছেন কিংবা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন এবং ১৪ দিন অতিবাহিত হয়েছে তাদের এ সংক্রান্ত তথ্য তাওয়াক্কালনা অ্যাপের আবেদনে সংযুক্ত করতে হবে।
দ্বিতীয়ত যেসব নাগরিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ইতোমধ্যে সংক্রমিত হওয়ার ৬ মাস অতিবাহিত হয়েছে এসব তথ্য তাওয়াক্কালনা অ্যাপে উপস্থাপন করে অনুমতি নিতে হবে।
তৃতীয়ত যেসব নাগরিকের বয়স ১৮ নিচে, তাদেরকে সৌদি ভ্রমণের ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সেন্ট্রাল ব্যাংক হতে অনুমদিত ইন্সুরেন্স পলিসি যেটা কোভিড ঝুকি অনুমোদন করে তা দেখাতে হবে।
এই তিন ক্যাটাগরির মানুষদের সৌদি আরবে ফেরত ব্যক্তিদের সাতদিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে এবং কোয়ারেন্টিনমের মেয়াদ শেষে তাদের পিসিআর টেস্ট করা হবে। তবে ৮ বছরের কম বয়সীদের পিসিআর টেস্ট করা লাগবে না।
সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরোপিত করোনা নিষেধাজ্ঞা ও মন্ত্রণালয়ের অনুমতি স্বাপেক্ষে এই ঘোষণা দিয়েছে সৌদি ইন্টেরিয়র মন্ত্রণালয়। এছাড়া সৌদি ভ্রমণের সময় সকলকে স্বাস্থ্যবিধি বিশেষ করে সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক পরিধানের মতো নিয়মগুলো মেনে চলতেহেবে। এসব বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ারও ঘোষণা দেয়া হয়েছে।