ads
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

‘কাজ নাই, খাবার নাই, ঢাকায় থেকে কি আঙুল চুষবো’

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১
  • ৪৭ বার পঠিত

আব্দুর রহিম। বয়স পঞ্চাশের ওপরে। বাড়ি বগুড়ায়। গাজীপুরের কোনাবাড়িতে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন। সপ্তাহখানেক ধরে কাজ বন্ধ। উপার্জনের টাকায় এ কয়দিন বসে খেতে হয়েছে তাকে। পাননি কোন সহায়তা। ফুরিয়ে আসছিলো কষ্টার্জিত টাকা।

কোনাবাড়ি থেকে কয়েক দফা গাড়ি পাল্টিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পাড় পর্যন্ত আসতে তার খরচ হয়েছে ৬শ টাকা। সরকারি নির্দেশনা কথার শোনার সঙ্গে সঙ্গে রাগে বলে উঠলেন, ‘কাজ নাই, খাবার নাই, ঢাকা বসে বসে কি আঙুল চুষবো’।

শুধু রহিম নয়, কাজের উদ্দেশে বের হওয়া তার মতো হাজারো লোকজন বাড়ি ফিরছেন অনেকটাই খালি হাতে। একদিকে কাজ করতে পারছেন না। অন্যদিকে পাননি কোন সহায়তা। তাই পরিবারের লোকজনের কাছেই ফিরে যাচ্ছেন।

এদিকে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক দিয়ে নানা পন্থায় বাড়ি ফিরছেন মানুষ।

দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ থাকায় খোলা ট্রাক, মোটরসাইকেলসহ ছোট ছোট যানবাহনে গাদাগাদি করে বঙ্গবন্ধু সেতু পাড় হচ্ছেন তারা। কোথাও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। এতে করে বেড়ে যাচ্ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি।

করোনাভাইরাসের কারণে ঈদে কর্মস্থলে থাকার কথা থাকলেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘরমুখো হচ্ছেন মানুষজন।

আন্তঃজেলা পরিবহন বন্ধ থাকায় কয়েক দফা গাড়ি পাল্টিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা। ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলযোগে কয়েকগুন বেশি ভাড়া গাদাগাদি করে বঙ্গবন্ধু সেতু পাড় হচ্ছেন উত্তরাঞ্চলের যাত্রীরা। গেলো ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ২১ হাজারেরও অধিক যানবাহন পারাপার হয়েছে। যা থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। যার অধিকাংশই ট্রাক ও ব্যক্তিগত যানবাহন। তবে রাতের আঁধারে চলাচল করছে গণপরিবহন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হানিফ পরিবহনের এক চালক জানান, গাড়ি নিয়ে বের হলে সারাদিন গাড়ি আটকে রাখা হয়। পরে দুই হাজার টাকা দিয়ে রাতে চলাচল করি। আজ চট্টগ্রাম যাব। এখন পর্যন্ত (বেলা তিনটা) ১৫ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছি। আরো কতো লাগবে আল্লাহই জানেন। তিনি আরও বলেন, সেতুর পশ্চিম পাড় গিয়ে দেখেন অনেক গাড়ি আটকে আছে। সন্ধ্যার পর ছাড়বে তাদের।

অভিযোগ রয়েছে, বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলপ্লাজায় এলাকায় কর্তব্যরতরা যেসব ট্রাকগুলোতে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে সেসব ট্রাকের চালকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের সেতু পারাপার হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। আর টাকা না দিলে ঘণ্টার পরে ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, মহাসড়কের ৫৪টি জায়গায় পুলিশের চেকপোস্ট রয়েছে। তারা মহাসড়কে কাজ করে যাচ্ছে। ট্রাক, পিকআপ ও মোটরসাইকেলে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যদি এমনটি হয় তাহলে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102