বাংলাদেশি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইনসেপটাকে চীনের সিনোফার্মের ভ্যাকসিন তৈরির অনুমতি দেয়া হয়েছে।
রবিবার (১৬ই মে) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর আরও জানায়, এ মাসেই চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের ভ্যাকসিন উৎপাদন শুরু করবে ইনসেপটা। এ বিষয়ে আগামীকাল সোমবার বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলন করবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
এর আগে, সিনোফার্মের তৈরি করোনাভাইরাসের ৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন বাংলাদেশকে উপহার দেয় চীন। গেল ১২ই মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ৫ লাখ চীনা ভ্যাকসিনের এই চালান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। গেল ২৯শে এপ্রিল জরুরি ব্যবহারের জন্যে সিনোফার্মের ভ্যাকসিন অনুমোদন দেয় সরকার। এদিকে, এই ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
রবিবার (১৬ই মে) দুপুরে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে অধিদপ্তরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলাম জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশে মজুত থাকা দ্বিতীয় ডোজের করোনা ভ্যাকসিন শেষ হয়ে যাবে।
প্রসঙ্গত, করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে ও সংক্রমণ রোধে নাগরিকদের টিকার আওতায় আনতে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের চুক্তি করে বাংলাদেশ। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিমাসে ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করার কথা ছিলো সিরামের। কিন্তু, ভ্যাকসিন সরবরাহে ব্যর্থ হয় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকের উদ্ভাবিত করোনার টিকার এশিয়া অঞ্চলের উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউট। কবে নাগাদ তারা ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে পারবে তাও নিশ্চিত করেনি ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি। যদিও টিকার জন্য অগ্রিম অর্থও পরিশোধ করে বাংলাদেশ।
পরবর্তীতে টিকার বিকল্প উৎসের খোঁজ করতে থাকে বাংলাদেশ। এরপরই চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের টিকা সংগ্রহ ও দেশেই উৎপাদনে আগ্রহ প্রকাশ করে বাংলাদেশ। সে সময় চীনের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক সাড়া মেলে।