বিয়ের এক সপ্তাহের মাথায় স্বামী ও শ্বশুর পরিবারের নির্যাতনে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে গৃহবধূ শারমিন আক্তারের (১৮) শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ১২ মে ওই গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে রেহান মিয়া পার্শ্ববর্তী সাঘাটা উপজেলার সাথালিয়া গ্রামের মোজাফ্ফর রহমানের মেয়ে শারমিন আক্তারকে (১৫) প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ে করে। আজ সকালে প্রতিবেশীরা ঘরের মধ্যে শারমিনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মেহেদি হাসান জানান, লাশ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে। ময়নাতদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গ্রামের প্রতিবেশী ঠান্ডু আকন্দের ছেলে জুয়েল মিয়াকে আটক করা হয়েছে।
নিহত গৃহবধূর স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, শারমিনের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্মম নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে নিহত পরিবার।