ইসরায়েলি আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন গাজার আড়াই লাখ মানুষ। এর মধ্যে ৫২ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন জাতিসংঘ পরিচালিত বিভিন্ন স্কুলে।
গাজার বাসিন্দা ইহাব-ই-আত্তার। ইসরায়েলি হামলায় এনিয়ে চার বার জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। হামলায় হারিয়েছেন ভাইসহ পরিবারের চার সদস্যকে।
বিভিন্ন সময় ইসরায়েলি হামলায় ঘরবাড়ি হারিয়ে শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন গাজা উপত্যকার বাসিন্দা ইহাব। তিনি বলেন, মধ্যরাতে হঠাৎ করেই ওরা আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। চোখের সামনে বাড়িটিকে গুড়িয়ে যেতে দেখলাম। সেখান থেকে কীভাবে বেঁচে ফিরেছি তা একমাত্র আল্লাহই জানেন।
শুধু ইহাব নয়, ফিলিস্তিনের এমন অনেক মানুষই সব হারিয়ে আশ্রয় নেন জাতিসংঘ পরিচালিত বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে। জাতিসংঘের ত্রাণ বিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ’র পরিচালিত ৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন তাদের আবাসস্থল।
জাতিসংঘের হিসেবে, গাজার সাড়ে ৪শ’র বেশি ভবনে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এর মধ্যে কিছু ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। গাজায় প্রায় ২০ লাখ মানুষের বাস, ইসরায়েলি হামলায় এরই মধ্যে বহু মানুষ হারিয়েছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই।
জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফানে দুজারিক বলেন, গাজায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে সব পক্ষকে নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এসব বাস্তুহারা মানুষের ভোগান্তি কমাতে জাতিংঘের মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার আশায় দিন গুনছে এসব মানুষ।