কারাবন্দী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মুক্তি দাবিতে দেশব্যাপী অব্যাহত আছে আন্দোলন সংগ্রাম। গণমাধ্যমের সব শাখায়ই ঢেউ উঠেছে প্রতিবাদের। শুধু নিঃশর্ত মুক্তিই নয়, অফিশিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্টকে কালাকানুন অভিহিত করে দাবি উঠেছে বাতিলের। সেই সাথে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জড়িতদের বিচারেরও।
শরীরে সাঁটা প্লাকার্ডে ঝুলছে দ্রোহের আগুন। যার লেলিহান শিখায় প্রতিবাদের আদল গড়েছে সার্ক ফোয়ারায় দাঁড়ানো মানব ঢাল। এতে শামিল ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।
সহকর্মী যখন কারাগারে, আপোষহীন ভাষা তখন দাবি তুলেছে অফিশিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্টের মতো কালাকানুন বাতিলের। আর রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির।
আদতে কারাগারে কে- একজন সাংবাদিক নাকি গোটা গণমাধ্যম, এই প্রশ্নের উত্তের খুঁজতে চান ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সামনে দাঁড়ানো তথ্যযোদ্ধারা। অপবাদের মামলা না তুললে আদালতমুখী পদযাত্রারও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।
মিথ্যা মামলা আর অপবাদের দুঃসাহস কোথা থেকে এসেছে, তাও জানতে চান জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আন্দোলনরত সংবাদিকরা। গণ অধিকারের কণ্ঠরোধী সব কালাকানুন বাতিলেরও দাবি তোলেন।
রাজধানীর গণ্ডি ছাড়িয়ে রোজিনার মুক্তির দাবি, গণদাবি হয়ে প্রতিবাদের ঢেউ তুলেছে দেশজুড়ে।