ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত নোয়াখালীর ভাসানচর। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শঙ্কাহীন এখানকার রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠি। প্রকল্প ব্যবস্থাপকরা বলছেন, ভাসানচর যেকোনো ঝড় মোকাবিলায় সক্ষম। ইয়াস কোনো প্রভাব ফেলার শঙ্কা না থাকলেও ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ব্যবস্থাপনা মডেল তৈরি করা হয়েছে।
রোহিঙ্গাদের নিজেদের ভাষায় প্রচার চলছে মাইকে। ঝড়ের কবলে পড়লে কখন কি করতে হবে, কখন কিভাবে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হবে সেসবের বয়ান চলেছে সকাল থেকেই।
১২০টি ক্লাস্টারে সাড়ে আঠারো হাজার রোহিঙ্গার বাস ভাসানচরে। কয়েক দফায় রোহিঙ্গা স্থানান্তরের পর এই প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের সাক্ষী হচ্ছেন রোহিঙ্গারা। তাই প্রস্তুতির মহড়া হাতে কলমে। শুধু বাসিন্দারা নয় গবাদি পশুও কিভাবে কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে তারও অনুশীলন চলেছে।
প্রস্তুত আছে মেডিকেল ক্যাম্প। ঝড়ের সময় এবং আগে পরে চিকিৎসা সেবার জন্য আছেন চিতিৎসক দলও। সার্বিক প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট আতঙ্কহীন রোহিঙ্গারা।
শুধু রোহিঙ্গা কেনো, স্থানীয় যাদের বসত এই চরে, তারাও শঙ্কাহীন ঝড়ের পূর্ভাবাসে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস নিয়ে শঙ্কা নেই। সব প্রস্তুতি নেয়া আছে।
প্রকৃতিক দুর্যোগ থেকে ভাসানচরে নিরাপত্তায় তৈরি আছে তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী, যার নকশা করা হয়েছে এই অঞ্চলের গত ২৭৫ বছরের ঘূর্ণিঝড় বিবেচনায়।