ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পদ্মার প্রবল ঢেউ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আজ বৃহস্পতিবারও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ফলে ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ছোট-বড় মিলিয়ে সহস্রাধিক যানবাহন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার যাত্রী।
জানা যায়, অশান্ত পদ্মার ঢেউয়ের চাপে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে শিমুলিয়ার ২ ও ৪ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন। এ ছাড়া ঝড়ের কারণে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে লঞ্চ-ফেরিসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়াঘাটের মেরিন কর্মকর্তা আলী আহমেদ জানান, প্রবল ঢেউয়ে ২ ও ৪ নম্বর পন্টুনটি দুই ভাগে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ঘাটে থাকা ফেরিগুলো নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়াঘাটের উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শফিকুল ইসলাম জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে নদী উত্তাল থাকায় বুধবার ভোর থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে শিমুলিয়ার ২ ও ৪ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পদ্মায় ২নং বিগত সংকেত দেওয়া হয়েছে। নদী শান্ত না হওয়া পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে। ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ছোট-বড় পাঁচ শতাধিক এবং ঢাকা- মাওয়া-খুলনা মহাসড়কে বাকি যানবাহন অবস্থান করছে।
এর আগে মঙ্গলবার থেকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে দেশের সব নদীবন্দর থেকে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
ফলে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে চলাচলকারী ৮৭টি লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া লকডাউনের শুরু থেকে এ নৌরুটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় কোনোভাবেই আর নদী পাড়ি দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকছে না যাত্রীদের।