কুষ্টিয়া চিনিকলের গুদাম থেকে ৫৩ টন চিনির হদিস মিলছে না। এ ঘটনায় স্টোরকিপার মো. ফজলুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মিল কর্তৃপক্ষ। চিনি গায়েবের ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে ৭ কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মিলের ব্যবস্থাপক পরিচালক রাকিবুল রহমান খান।
কুষ্টিয়া চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাকিবুর রহমান খান জানান, গত বৃহস্পতিবার ২ জুন মিলে মজুদকৃত চিনির মজুদ মিলাতে গেলে ৫৩ টন চিনি কম পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্যে প্রায় ৩২ লাখ টাকা। এ ঘটনায় গুদামের স্টোর কিপার ফরিদুল হককে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং চিনিকলের জিএম কারখানা কল্যাণ কুমার দেবনাথকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মৌসুমে ২ ডিসেম্বর ২০২০ কুষ্টিয়া সুগার মিল আখমাড়াই কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন। ২০০১-২০০২ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪১৫ কোটি টাকা লোকসান করে কুষ্টিয়া সুগার মিল।