বগুড়ার আদমদীঘিতে ছাগল-কাণ্ডের পর সেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
ইউএনও সীমা শারমিনকে স্থানীয় সরকার বিভাগে বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক।
এর আগে, উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে ছাগলে ফুলগাছ খাওয়ার অপরাধে গত ২২ মে স্থানীয় এক ছাগল মালিককে ২ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দিয়েছিলেন সীমা শারমিন। সমালোচনার মুখে পরে অবশ্য উপজেলা চেয়ারম্যান ছাগল মালিকের পক্ষে জরিমানার টাকা পরিশোধ করে ছাগল মালিককে তার ছাগল ফিরিয়ে দেন।
জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক জানান, আদমদীঘির ইউএনও সীমা শারমিনকে স্থানীয় সরকার বিভাগে বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার তার বদলির আদেশ এসেছে। তবে, এটি নিয়মিত বদলি বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, আদমদীঘি উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্মানাধীন পার্কে স্থানীয় বাসিন্দা সাহারা বেগমের একটি ছাগল কয়েকদফা ফুলগাছ নষ্ট করে। ১৭ মে আবারো ছাগলটি ফুলগাছগুলো নষ্ট করলে নিরাপত্তা প্রহরীরা ছাগলটি আটক করে। ২২ মে ছাগল মালিক সাহারা বেগমকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। তবে সাহারা বেগম অর্থদণ্ডের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ছাগলটি স্থানীয় একজনের জিম্মায় রাখেন ইউএনও। ঘটনার ১০ দিন পর উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম খান রাজু নিজে অর্থদণ্ডের টাকা পরিশোধ করে সাহারা বেগমের ছাগল ফিরিযে দেন। ছাগল ফিরিয়ে দেয়ার ১২ দিন পর বদলির আদেশ পেলেন ইউএনও সীমা শারমিন।