ads
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

৮০ গ্রামবাসীকে গিলে খায় ‘ওসামা বিন লাদেন’!

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১
  • ৩০ বার পঠিত

বহু বছর ধরে গ্রামবাসীর আতঙ্ক স্থানীয় জলাশয়ে বাস করা বিশাল আকৃতির একটি কুমির। ১৯৯১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৮০ জনকে গিলে খেয়েছে এই কুমির। ত্রাস ছড়ানো ও জীবনের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা এই কুমিরকে তাই জঙ্গিগোষ্ঠী আল কায়েদার প্রধান ‘ওসামা বিন লাদেনের’ নামে নাম রাখে গ্রামবাসী।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিরর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘ ৭৫ বছরের জীবনকালের বেশিরভাগ সময়ই রক্তপিপাসু এই কুমিরটি কাটিয়েছে উগান্ডার লেক ভিক্টোরিয়ায়। প্রায় ১৬ ফুট দৈর্ঘ্যের কুমিরটি লেকপাড়ে পানি আনতে গেলে শিশুদের টেনে নিয়ে যেত। আবার মাছ ধরা নৌকায় আক্রমণ চালিয়ে বহু জেলের মৃত্যুর কারণ হয়েছে এটি। এক পর্যায়ে কুমিরটি নৌকায় লাফিয়ে উঠে জেলেদের টেনে নিয়ে যাওয়া শুরু করে।

কুমিরটির একটি শিকারে পরিণত হওয়া এক জেলের ছিন্নভিন্ন কাপড় লেকের পানিতে ভাসতে দেখা যায়। আরেকটি আক্রমণ প্রত্যক্ষ করেন পল কেউওয়ালেঙ্গা নামের এক ব্যক্তি। ওই আক্রমণে তিনি বেঁচে গেলেও তার ভাইকে টেনে নিয়ে যায় কুমিরটি।

পল কেউওয়ালেঙ্গা জানান ঘটনার সময়ে তিনি এবং তার ভাই পিটার নৌকায় মাছ ধরছিলেন। সেই ঘটনা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘ওসামা পানি থেকে ভেসে উঠলো আর নৌকার উপর লাফিয়ে পড়লো। নৌকার পেছন দিকে যেখানে আমি বসেছিলাম সেই অংশটা ডুবে গেলো।’

সাহায্য চেয়ে চিৎকার করলেও কুমিরটি পিটারের পা টেনে ধরে পানির ভিতরে টানতে থাকে। পল জানান প্রায় পাঁচ মিনিট ধস্তাধস্তির পর অবশেষে কুমিরটি তাকে পানির নিচে নিয়ে যায়।

কুমিরটির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসী সাহায্য চাইতে থাকলে ২০০৫ সালে প্রায় ৫০ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং বন্যপ্রাণী কর্মকর্তার সাহায্যে কুমিরটিকে আটক করা সম্ভব হয়। স্থানীয় কিছু বাসিন্দা কুমিরটিকে মেরে ফেলতে চাইলেও কর্মকর্তারা গ্রামবাসীকে বোঝাতে সক্ষম হন যে এটি মারা যাবে না।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102