কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, চিলি। টানা তিন ম্যাচ হেরে থেকে বাদ পড়ছে বলিভিয়া। আসরে প্রথম জয় পেয়েছে উরুগুয়ে। ২-০ গোলে হারিয়েছে বলিভিয়াকে। দিনের আরেক ম্যাচে হেরেছে চিলি। একই ব্যবধানে জয় প্যারাগুয়ের।
দিনের প্রথম ম্যাচে উরুগুয়ের কাছে বলিভিয়ার হার গড়ে দিয়েছে “এ” গ্রুপের চার দলের ভাগ্য। টানা তিন ম্যাচ হেরে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের আগেই বিদায় নিশ্চিত বলিভিয়ার। সঙ্গে আসরে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে উরুগুয়ে। তবে জয়ের আনন্দ ছাপিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ সুয়ারেজ-কাভানিদের পারফরম্যান্স। একটা ছোট্ট পরিসংখ্যানেই যা স্পষ্ট। গোলবারে ২২ বার সুযোগ তৈরী করেও ব্যর্থ অস্কার তাবারেজ শিষ্যরা।
ফরোয়ার্ডদের মিসের মহড়া বার বার ছড়িয়েছে হতাশা। ফর্মের তুঙ্গে থাকা এডিসন কাভানির এমন ভুল যেন পুরো ম্যাচের প্রতিচ্ছবি। বলিভিয়ান গোলরক্ষক কার্লোস লামপেও প্রতিরোধ গড়েছিলেন।
কিন্তু আর কত সময়? সেই লামপেই ম্যাচের ভিলেন বনে গেলেন প্রথমার্ধেই, যোগ করা সময়ে আত্নঘাতি গোল করে। ম্যাচ শেষের ১১ মিনিট আগে আর ভুল করেননি এডিসন কাভানি। অবশেষে গোলের দেখা পেয়েছেন এই ম্যান ইউ ফরোয়ার্ড।
দিনের দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চিলির বিপক্ষে দারুন জয় প্যারাগুয়ের। অথচ কোয়ার্টার ফাইনালে দুদলই। দশ দলের টুর্নামেন্ট বলেই হেরেও শেষ আটে লা রোহা।
চমকের ম্যাচে উড়ন্ত প্যারাগুয়ে। শুরুটা সামুর গোলে। ৩৩ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন এ উইঙ্গার। বিরতি থেকে ফিরেও আগ্রাসী প্যারাগুয়ে। এবার পেনাল্টি থেকে ব্যবধান ডাবল করেন ফরোয়ার্ড মিগুয়েল আলমিরন। ব্যবধানটা ৩-০ হতে পারতো। বক্সে মিগুয়েল আলমিরনকে চিলি ডিফেন্ডার ফাউল করলেও, নজর এড়ায় রেফারির। ৭৩ মিনিটে চিলির পেনাল্টির দাবী বাতিল হয় ভিএআর-এ। আসরে দ্বিতীয় জয় লা আলবিরোহাদের।