টানা বৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জ, শেরপুর, নেত্রকোণা, লালমনিরহাট ও ফেনীতে নদীর পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে এখনও বইছে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে।
শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পানি নামতে শুরু করেছে। মহারসী, সোমেশ্বরী ও ভোগাই নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। ঝিনাইগাতির দিঘিরপাড় এলাকায় বাঁধ ভেঙে গেলেও সংস্কারের উদ্যোগ নেই। পানিতে ডুবে আছে ৩৫টি গ্রাম। ফেনীতে মুহুরী ও কহুয়া নদীর তিনটি স্থানে বাঁধ ভেঙে দুই উপজেলার অন্তত ৮টি গ্রাম প্লাবিত।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র আগামী ১০ দিনের যে আভাস দিয়েছে, তাতে পদ্মা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি ৫ থেকে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাহাদুরাবাদ স্টেশনে বিপৎসীমা পেরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
আর ৬ জুলাই বিপৎসীমা পেরুতে পারে পদ্মার গোয়ালন্দ স্টেশনে।