নিখোঁজদের সন্ধানে ঢাকা মেডিকেলের মর্গের বাইরে স্বজনদের ভিড় বাড়ছেই। আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছে সেখানকার পরিবেশ। পুড়ে যাওয়া মরদেহ শনাক্তে করা হচ্ছে ডিএনএ পরীক্ষা। এজন্য স্বজনদের কাছ থেকেও নেয়া হচ্ছে নমুনা। এছাড়া ঘটনা তদন্তে করা হয়েছে একাধিক কমিটি।
কারখানায় আরও একটি মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের সাক্ষী ঢাকা মেডিকেল মর্গ। দুপুরের পর থেকে অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন আর আহাজারিতে ভারি পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে আনা হয় হাসেম ফুড লিমিটেডের দগ্ধ শ্রমিকদের। আর শুক্রবার (৯ জুলাই) দুপুরের পর যাদের আনা হলো তাদের কেউই জীবিত নেই। তাদের কেউই নেই স্বাভাবিক আকারে।
তাদের প্রায় সবাই এতোটাই দগ্ধ হয়েছেন যে চেনার উপায় নেই। তাই পরিচয় শনাক্তে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে আনা হয়েছে ডিএনএ টেস্ট করতে। একই সাথে নেয়া হচ্ছে স্বজনহারাদের নমুনা।
মর্গের সামনে যারা ভিড় করছেন তারা জানেন না তাদের স্বজনের ভাগ্যে কি ঘটেছে। একরকম মৃত ধরে নিয়েই নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসেছেন স্বজনেরা। নিখোঁজ শ্রমিকদের তালিকায় আছে অপ্রাপ্তবয়স্করাও।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অগ্নিকান্ডের কারণ, ক্ষয়ক্ষতি ও কারও দায় আছে কি না তা খতিয়ে দেখে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে।
হাশেম ফুড এন্ড বেভারেজ কারখানায় বৃহস্পতিবার বিকেলে লাগা আগুন ২৪ ঘন্টায়ও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যায় নি। জানা যায় নি দুর্ঘটনার কারণও।