ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে স্বাস্থবিধি মেনে সারা দেশে কোরবানির হাট বসবে বলে জানিয়েছেন এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুরহাট ব্যবস্থাপনা, নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি ও পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি পর্যালোচনা নিয়ে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি এ তথ্য জানান। এছাড়াও আগামী ১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত শিথিল হয়েছে লকডাউন। মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এদিকে ঢাকার দুই সিটিতেই ১৭ জুলাই থেকে রাজধানীর ১৯টি স্থানে কোরবানির হাট চলবে ঈদের দিন পর্যন্ত। যেখানে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে নেয়া হচ্ছে কঠোর ব্যবস্থা। করা যাবে না নির্ধারিত স্থানের বাইরে পশু কেনাবেচাও।
চলতি বছর কোরবানির জন্য মজুদ রয়েছে ১ কোটি ১৯ লাখ গবাদি পশু। এর মধ্যে ডিজিটাল প্লাটফর্মে অন্তত ১ লাখ পশু বিক্রির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।
আগামী ১৫ জুলাই থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে সব ধরনের গণপরিবহন। একইসঙ্গে খুলবে দোকানপাট-শপিংমল, সেক্ষেত্রেও স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে। তবে, আগামী ২৩ জুলাই থেকে আবার কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হবে। বন্ধ থাকবে গণপরিবহন, দোকানপাট-শপিংমল, শিল্প-কারখানা ও সরকারি-বেসরকারি অফিস।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। এ বিধিনিষেধ ছিল ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত। পরে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও সাতদিন অর্থাৎ ১৪ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়।